২৩ মার্চ ২০১৯, ২৩:২০

তিন যুগের বন্ধ্যাত্ব ঘুচিয়ে ডাকসুর যাত্রা

ডাকসুর প্রথম কার্যকারী সভায় সভাপতি, ভিপি, জিএসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ  © টিডিসি ফটো

দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর নতুন করে যাত্রা শুরু হল দেশের দ্বিতীয় সংসদ হিসেবে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু)। শনিবার দুপুরে ডাকসু ভবনে নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম কার্যকারী সভায় দায়িত্বগ্রহণ করেন ভিপি (সহ-সভাপতি) নুরুল হক নুরসহ অন্যান্য সদস্যরা।

এদিকে, পুনর্নির্বাচনের দাবিতে প্রথম কার্যকারী সভা চলাকালীন সময়ে ডাকসু ভবনে বাইরে এবং ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ জানিয়ে কর্মসূচি পালন করেছে ভোট বর্জনকারী কয়েকটি প্যানেল। ২৮ বছর পর গত ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে নির্বাচনের দিন অনিয়মের অভিযোগ এনে এ নির্বাচন বাতিল করে পুনঃনির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে ছাত্রলীগ ছাড়া অধিকাংশ প্যানেল। এর আগে ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯০ সালে।

জানা গেছে, ডাকসু ভবনে নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম কার্যকারী সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে ডাকসুর জিএস (সাধারণ সম্পাদক) গোলাম রাব্বানী কেন্দ্রীয় সংসদের সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পদাধিকার বলে ডাকসুর সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান ।

এ সময় রাব্বানী আনুষ্ঠানিক দায়িত্বগ্রহণের অনুমতি চাইলে এক বছরের জন্য অনুমতি দেন ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান। আড়াই ঘণ্টার প্রথম বৈঠকে হল থেকে বহিরাগতদের অপসারণ, গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধ করা এবং মেধার ভিত্তিতে হলে সিট বরাদ্দ নিয়ে সরব ছিলেন নুর। এই সভায় ডাকসুর নবনির্বাচিত ২৫ সদস্যের সবাই উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ভিপি নুর ও সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন বাদে সবাই ছাত্রলীগের।

সভায় আখতারুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আগ্রহ ও ইচ্ছায় ডাকসুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাচ্ছে তাকে ডাকসুর আজীবন সদস্য করা হোক। তখন ভিপি নুর এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলেন, ছাত্র সমাজের বড় একটি অংশ নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। এই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পর্ষদে প্রধানমন্ত্রীর মতো সম্মানিত ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত না করাই ভালো হবে। তবে সভায় ভিপি নুর ও সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন বাদে সবাই এ ব্যাপারে সম্মতি দেন।

বৈঠক শেষে অধ্যাপক আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, দীর্ঘ তিন দশক পর গত ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ কার্যকরী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এ সভার মধ্য দিয়ে ডাকসুর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলো। ডাকসুর গঠণতন্ত্র বলে যেদিন কার্যকরী পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে, সেদিন থেকে ৩৬৫ দিন গণ্য হবে। এর মাধ্যমে ডাকসুর শুভ যাত্রা শুরু হলো। আমি আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করি ডাকসুর নবনির্বাচিতদেরকে অভিনন্দন জানাই।

তিনি বলেন, প্রথম সভায় সবার আলাপচারিতা দেখলাম এবং তাদের বক্তব্য শুনলাম। সেগুলো এতই আশাপ্রদ যে, তাদের মূল্যবোধ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিভিন্ন বিষয়ে তারা আলোচনা করেছে। তাদেরকে সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে যে, বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে যারা আছে তারা সাধারন সম্পাদকদের সাথে সমন্বয় করে নিজেদের কাজের ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করবে। কোন কোন ক্ষেত্রে তারা কাজ করতে পারবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তা চিহ্নিত করবে তারা। কেননা তারা এখন আর একজন মানুষ নয়, একজন ছাত্র না, তারা এখন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি। ফলশ্রুতিতে তারা সবাই দায়িত্বশীলভাবে তাদের কর্মপরিকল্পনা করবেন, বাজেট করবেন এবং সকল কর্মপ্রয়াস গ্রহণ করবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আজীবন সদস্যপদ প্রদানের বিষয়ে ভিসি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্বাচনের জন্য সদয় সহযোগিতা করেছেন। তিনি যে আশ্বাস আমাদেরকে দিয়েছেন তার সফল বাস্তবায়ন তিনি করেছেন। সে কারণে আমাদের কার্যকরী পরিষদের সকল সদস্য তাকে (প্রধানমন্ত্রী) ডাকসুর আজীবন সদস্য করার বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন। সেটি আইনি ভাষা দেখে করা হবে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে প্রস্তবনাটি ধন্যবাদের সঙ্গে গ্রহণ করা হলো। এটি একেবারেই আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী সভায় গঠনতন্ত্র দেখে আমরা এই কাজটি, মহৎ উদ্যোগটি গ্রহণ করব। এটি আমাদের আজকের কার্যকর পরিষদের সিদ্ধান্ত।’

ছাত্রদলসহ বাম সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুনরায় ডাকসু নির্বাচন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ডাকসুর সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ করার দাবিতে যে কর্মসূচি পালন করছে সে বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে উপাচার্য এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করে বলেন, মত প্রকাশ করার অধিকার সবার আছে। এটা ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য। সেখানে আপনারা সকলেই দেখলেন, নবনির্বাচিত সদস্যরা সবাই যোগদান করলেন। এর মধ্য দিয়েই কমিটির কার্যকালের শুভ সূচনা হল। আশা করি বাকি সময়েও বিশ^বিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চরিত্র বজায় রাখতে তারা ভূমিকা রাখবে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নিয়োজিত থাকবে। সে প্রত্যাশাই আমরা করি।

পরে ভিপি নুর বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ডাকসুর আজীবন সদস্য করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমরা সমাধানে পৌঁছাতে পারি নি। আমি নিজে বলেছি, আপনারাও দেখেছেন, শিক্ষার্থীদের একটি অংশ বলেছে এ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ। তাই আমি চাইনি এ প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীকে সদস্যপদ দিতে। আমিসহ কয়েকজন এ বিষয়ে অপোজ করেছি। প্রধানমন্ত্রী একজন সম্মানিত ব্যক্তি। ডাকসুর আজীবন সদস্য হওয়া তেমন বড় কিছু নয়। আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে। আমিও তাদেরকে সমর্থন জানিয়েছি এবং আলোচনা সভায় উপাচার্য স্যারকে বলেছি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি বেরিয়ে আসবে। আমরা রোকেয়া হল ও কুয়েত মৈত্রী হলের ঘটনা দিয়ে আলোচনা শুরু করেছি। আমি ডাকসুর পুনর্নির্বাচন চাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রীকে ডাকসুর সদস্যপদ দিতে আপত্তি কোথায় সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে এবং নিরপেক্ষ ৮ জন শিক্ষক পর্যবেক্ষণ করে এ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ বলেছে। সেরকম একটি জায়গায় থেকে আমি মনে করি না যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আজীবন সদস্য পদ প্রদান করা উচিত। সে জায়গা থেকে আমিসহ কয়েকজন বিরোধিতা করেছেন। আমরা বলেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সম্মানীয় ব্যক্তি। তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী প্রধান। সুতরাং ডাকসুর আজীবন সদস্য পদ দেয়াটা তার জন্য বড় কিছু নয়। যেখানে এ নির্বাচনকে নিয়ে বিতর্কিত একটি অবস্থান রয়েছে, আমরা যখন দায়িত্ব নিচ্ছি তখন শিক্ষার্থীরা, আমার ভাইয়েরা-বোনেরা পুনর্র্নিবাচেনের দাবি করে বিক্ষোভ করছেন, মিছিল করছেন।’ তার কথার সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন সমাজসেবা সম্পাদকও।

পরবর্তীতে ডাকসু নির্বাচন হলে সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে ডাকসুর সদস্যপদ দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে বলেন, সেটা তখন দেখা যাবে। অগ্রীম তো কিছু বলতে পারবো না। যে জায়গায় কথা বলার সুযোগ পাবেন, সে জায়গাতেই শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে কথা বলবেন বলে জানান নুরুল হক নুর।

ভিপি নুরের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জিএস রাব্বানী বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় ডাকসুর ২৫ সদস্যের যে বডি রয়েছে সেখানে ২৩ জন সরাসরি সমর্থন করেছেন। একমাত্র ভিপি নুর দ্বিমত পোষণ করেছেন। সুতরাং ডেমোক্র্যাটিক ওয়েতে তার বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হয়নি। ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সদস্য পদ দেয়ার সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়ে গেছে। এটি সলভ ইস্যু।

সাংবাদিকদের ভিপি নুর আরও বলেন, রিকশা এবং সাইকেলের জন্য আলাদা লেন করা, রিকশা ভাড়া নির্ধারণ এবং বিভিন্ন আবাসিক এলাকার ন্যায় ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ৩০০-৩৫০ রিকশার রেজিস্ট্রেশন দেয়া, তাদের নির্দিষ্ট ড্রেসকোড এবং গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে সভায় প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সকল প্যানেলেরই দাবি ছিল হল থেকে গণরুম, গেস্টরুম এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় সিট দেওয়া বন্ধ করা। সেটা নিয়ে আজকে আলোচনা করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে এটা নিয়ে বিভিন্ন হলে নোটিশ দিয়ে অছাত্র এবং বহিরাগতদের হল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

এদিকে, প্রথম কার্যকরী পরিষদের সভা চলাকালীন সময়ে ডাকসুর পুনর্নির্বাচনের দাবিতে ডাকসু ভবনের সামনে এবং ক্যাম্পাসে আলাদা আলাদাভাবে কর্মসূচি পালণ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং বাম ছাত্র সংগঠনের প্যানেলের জোট প্রগতিশীল ছাত্র জোট ও সম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য।

সভা চলাকালীন সময়ে ডাকসু ভবনের সামনে বিভিন্ন ধরণের স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে মানববন্ধন করছেন ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা। এসময় অভিষেক অনুষ্ঠান থেকেই পুনঃনির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। মানববন্ধনে বহন করা প্ল্যাকার্ডে লেখা রয়েছে, ‘আনিশা অক্সফোর্ড ছাত্র সংসদের সভাপতি, তবে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডে কেন ভিসি!!’, ‘ডাকসুতে সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ পদে ছাত্র প্রতিনিধি চাই’ প্রভৃতি। এছাড়া ‘কারচুপির’ নির্বাচন বাতিল করে পুনঃনির্বাচনেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

একই সময়ে পুনঃতফসিল ঘোষণা ও পুনর্র্নিবাচনের দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ক্যাম্পাসে মৌন মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে ডাকসু ভবনের সামনে ছাত্রদলের প্যানেলের জিএস প্রার্থী আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক বলেন, ডাকসু নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি এটা স্পষ্ট। এর দায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হবে। এছাড়া যারা এই নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির সাথে জড়িত ছিলো সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ফের ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, পুনরায় নির্বাচন দেওয়ার পাশাপাশি নিরপেক্ষ শিক্ষকদেরকে এর দায়িত্ব দিতে হবে। এছাড়া হলের বাইরে একাডেমিক ভবনে নির্বাচনের কেন্দ্র করারও আহবান জানান তিনি। এসময় সেখানে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে ভিপি পদে নির্বাচন করা মোস্তাফিজুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, রাজু ভার্স্কযের পাদদেশে ডাকসুর নবনির্বাচিত কমিটি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি লাল কার্ড প্রদর্শন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ছাত্র জোট ও সম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য। শনিবার বেলা ১১টার দিকে নির্বাচনে কারচুপি ও ভোট ডাকাতির প্রতিবাদে লাল কার্ড প্রদর্শন কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ কর্মসূচিতে ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফেডারেশন, ছাত্রমৈত্রী, ছাত্রফ্রন্টসহ বিভিন্ন বাম সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডাকসুর সভা শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ডাকসু নেতৃবৃন্দ। এসময় ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, ভিপি নুর, জিএস গোলাম রাব্বানী, এজিএস সাদ্দাম হোসেনসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।