২২ নভেম্বর ২০১৮, ১২:১৩

আত্মহত্যা প্রতিরোধে আপন মানুষকে ভূমিকা রাখতে হবে

সেমিনারে এক শিক্ষার্থী নিজের ‍অভিজ্ঞতা বলছেন  © টিডিসি ফটো

আত্মহত্যা প্রতিরোধে আপন মানুষকে বিশেষ করে পরিবারের সদস্য, বন্ধু-বান্ধব ও শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লেকচার থিয়েটার ভবনের আর সি মজুমদার অডিটরিয়ামে ‘আত্মহত্যা প্রতিরোধ’ এ করণীয় শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সকাল ৯টায় শুরু হয়ে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলে সেমিনারটি। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শদান দফতর এ সেমিনারের আয়োজন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শদান দফতরের পরিচালক ও এডুকেশনাল এ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেহজাবিন হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন একই বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. শাহীন ইসলাম এবং সহকারী কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট রেহনুমান-ই জান্নাত।

সেমিনারে বক্তারা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেন এবং বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাদের সাথে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন এবং আশপাশের কেউ যদি এ রকম কাজে উদ্যত হয় তখন কি করা উচিত তা জানতে চান।

সেমিনারে অধ্যাপক ড. মেহজাবিন হক বলেন, আমরা সবাই সচেতন হলে ঘটনাগুলো কমানো সম্ভব। কারো যদি আত্মহত্যা করার মত অবস্থা হয় তার বন্ধুদের উচিত তার গায়ে হাত রাখা এবং তাকে বুঝানো যে পৃথিবীতে তোমার বেঁচে থাকা কত দরকার।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শদান দফতর এমন সময়ে সেমিনারটির আয়োজন করে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহত্যা প্রবণতা বেড়েছে। চলতি বছর ১১ মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিয়েছে।