১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:০৬

ঢাবিতে ডাবল ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্টকে রেখে তৃতীয়কে নিয়োগের সুপারিশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগে একই ব্যাচের ডাবল ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্টকে রেখে বিএসসি তৃতীয় স্থান ও এমএসসি দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী প্রার্থীসহ বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক।

সূত্রে জানা যায়,  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদের সভাপতিত্বে ১৮ সেপ্টেম্বর মনোবিজ্ঞান বিভাগে তিনজন সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে সৃষ্ট ৩টি শূন্যপদে প্রভাষক (অস্থায়ী) নিয়োগর জন্য বোর্ড বসে। অন্যান্য বোর্ড সদস্যরা ছিলেন জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক, বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাসরীন ওয়াদুদ, অধ্যাপক ড. মাহফুজা খানম ও অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, বোর্ডে ১৪ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে তিনজনকে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন সঞ্চারী প্রতিভা, সিজিপিএ বিএসসি ও এমএসসি যথাক্রমে ৩ দশমিক ৬৯ ও ৩ দশমিক ৮১; সুমাইয়া আলী রাইসা, সিজিপিএ যথাক্রমে ৩ দশমিক ৭৮ ও ৩ দশমিক ৯৪ এবং ফারিয়া বকুল, সিজিপিএ যথাক্রমে ৩ দশমিক ৬৯ এবং ৩ দশমকি ৮১ (মেধাক্রম ৩য় ও ২য়)।

এর মধ্যে ফারিয়া বকুলকে নিয়োগের সুপারিশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, নিয়োগপ্রত্যাশীদের মধ্যে ছিলেন ফারিয়া বকুলের একই ব্যাচের ডাবল ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ও ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত শিক্ষার্থী। একই ব্যাচের ডাবল ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ও ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও বিএসসিতে ৩য় স্থান ও এমএসসিতে ২য় স্থানকে নিয়োগের সুপারিশ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিভাগের একাধিক শিক্ষক। নিয়োগপ্রত্যাশী ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রভাবশালী ডিনের আত্মীয় ও এলাকার হওয়ায় বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন ফারিয়া বকুল।

গত ৬ জুলাই মনোবিজ্ঞান বিভাগে ৩ জন সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।  এবং এর ফলে তাৎক্ষণিকভাবে সৃষ্ট শূন্য ৩ জন প্রভাষক পদে অস্থায়ী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এর সভাপতিত্বে বোর্ড বসে। বোর্ডে সুপারিশকৃতদের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়।