ঢাবির হলে ডাইনিং ব্যবহার হবে পাঠকক্ষ হিসেবে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসিম উদ্দীন হলের ডাইনিং রুম রাত সাড়ে ১০টার পর শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার জন্য পাঠকক্ষ হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হল প্রশাসন। বুধবার হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীদের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে, হলের ডাইনিং (মেস নিমন্ত্রণ) প্রতিদিন রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার জন্য খোলা থাকবে।’
শিক্ষার্থীদের পাঠের সুযোগ বাড়াতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কবি জসিম উদ্দিন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি বলেন, আমাদের হলে শিক্ষার্থীদের তুলনায় জায়গা অনেক সীমিত। চারজনের জন্য যে কক্ষ সেখানে গড়ে প্রায় ১৪ জন করে থাকছে। যে কক্ষগুলোতে শিক্ষার্থীদের থাকাই কষ্ট হয়ে গেছে সেখানে পড়ালেখা করার জায়গা হয় না। আর হলের দুটি রিডিং রুম আছে সেখানে প্রায় ১০০ জনের মত পড়তে পারলেও সবার জন্য সে সুযোগটি হয়না। হলের সব অবকাঠামো যেহেতু শিক্ষার্থীদরে জন্য তাই আমরা শিক্ষার্থীদের অনুরোধে খাবারের টাইমের পর যেন তারা মেস রুমটিতে পড়তে পারে সে ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। রাতের খাবারের পর কক্ষ পরিষ্কার করে তারা সেখানে পড়বে।
খোজ নিয়ে জানা যায়, ক্যান্টিনের পাশাপাশি কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীদরে দ্বারা পরিচালিত ডাইনিং (মেস) ‘নিমন্ত্রণ’। রীতি অনুযায়ী রাত সাড়ে ১০টার মধ্যে খাবার শেষে মেসটি বন্ধ করে দেয়া হত। তবে হল প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাতের খাবারের পর সাড়ে ১০টা থেকে মেসটি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার জন্য খোলা থাকবে। এতে শিক্ষার্থীরা রাত ১টা পর্যন্ত তাদের লেখাপড়ার করতে পারবেন। কবি জসিম উদ্দিন হলের শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষিণ ব্লকের তৃতীয় তলায় ১টি ও উত্তর ব্লকের নিচতলায় ১টি পাঠকক্ষ রয়েছে।