২৫ জুলাই ২০১৮, ১৩:৫০

‘বঙ্গবন্ধুকে আঘাত করা মানে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গায় আঘাত করা’

মানববন্ধনে ঢাবি শিক্ষক সমিতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আকমল হোসেন বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। সেখান থেকে সমিতির নেতারা ওই শিক্ষককে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতি চুপ থাকতে পারে না। আমরা শিক্ষক সমিতি থেকে বলেছি তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর আজকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে আঘাত করা হয়, তখন এদেশের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গার উপর আঘাত করা হয়।

তিনি যদি নিঃশর্ত ক্ষমা চান এবং একথা বলেন, এমন কথা তিনি আর ভবিষ্যতে বলবেন না, তাহলে শিক্ষক সমিতি এ বিষয়ে বিবেচনা করে দেখবে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে বলেন,  আমরা শুরু থেকেই যেকথা বলেছি কোটা আন্দোলন এদেশে ছাত্রদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন নয়। এটা নির্বাচনের বছর যাতে করে একটি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করে সরকারকে অস্থিতিশীল করে যাতে করে ক্ষমতায় যা্ওয়ার একটি পথ উন্মোচন করা যায় সে ষড়যন্ত্রই করা হয়েছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামের সঞ্চালনায় এসময় আর বক্তব্য রাখেন কবি সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিতা রেজওয়ানা, হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া, এপলাইড মেথমেটিক্স বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. সামাদসহ শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, গত ১৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক আকমল হোসেন ছাত্রলীগের কথা প্রেক্ষিতে বলেন যারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি তারা কি আন্দোলন করতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী ও তার পিতা কি মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে অধ্যাপক আকমল হোসেনকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়।