২৯ জুন ২০১৮, ২৩:৫৭

ঢাবির ৯৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কাল, বর্ণিল সাজে সেজেছে ক্যাম্পাস

বর্ণিল সাজে সেজেছে কার্জন হল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৯৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামীকাল রবিবার। দিনভর নানা আয়োজনে উদযাপন করা হবে এ দিবসটি। ইতিমধ্যে বর্ণিল সাজে সেজেছে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে প্রশাসন।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির কথা জানান। আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, রবিবার সকাল ১০টায় মল চত্বরে সমবেত হয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু করবেন। দিবসটি উপলক্ষে প্রকাশিতব্য স্মারক সংকলনের মোড়ক উন্মোচন করা হবে। পরে শোভাযাত্রা করে সবাই ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) গিয়ে আলোচনায় অংশ নেবেন।

‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন পল্লীকর্ম-সহায়ক সংস্থার চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে একটি নতুন ওয়েবসাইট খোলা হবে বলে জানান উপাচার্য। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে এসব কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান ও ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ কর্মকর্তা নূর-ই-ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সামনে দুপুর পর্যন্ত দুর্লভ পাণ্ডুলিপি প্রদর্শনী ও বিকেল পর্যন্ত কার্জন হলে বিভিন্ন চিকিৎসাপ্রযুক্তির প্রদর্শনী চলবে। এছাড়া শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, বিতর্ক সংসদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সাংবাদিক সমিতির প্রীতি ফুটবল ম্যাচসহ বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও হলের নিজস্ব বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে।