আসছে ঢাবির ৭৪১ কোটি টাকার বাজেট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের বার্ষিক অধিবেশন বসছে আগামী বুধবার। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিকাল ৩টায় শুরু হবে এ অধিবেশন। সিনেটের এ সভায় আগামী অর্থবছরের জন্য ৭৪১ কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এর ২১ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সিনেটের এই বার্ষিক সভা আহ্বান করেছেন। সিনেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের বাজেট উপস্থাপন করবেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট শাখা সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা এবং সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যয়ভার হিসেবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৬৬৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। পরে সংশোধিত বাজেটে আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। সে হিসাবে এ বছর বাজেটের আকার বেড়েছে ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
বরাবরের মতো এবারো বাজেটের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা, পেনশনসহ বিভিন্ন খাতে। এ বছর ৪৩২ কোটি ৯৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা বেতন-ভাতার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আর পেনশনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
ইউজিসি এ বছর বাজেট নির্দেশনায় বলেছে, সরকারি অর্থ ব্যয়ে সবক্ষেত্রে স্বচ্ছতা অবলম্বন করতে হবে। মূল বরাদ্দের বাইরে বিশেষ প্রয়োজন ও ইউজিসির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো জনবল নিয়োগ করা যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের আয় বাজেটে নিজস্ব আয়ের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষার ফরম বিক্রির আয়ের ৪০ ভাগ বিশ্ববিদ্যালয় তহবিলে জমা দিতে হবে।
বাজেটে আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অনুদান ও নিজস্ব আয়। এর মধ্যে ইউজিসি দেবে ৬২৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা। নিজস্ব আয় বাবদ ধরা হয়েছে ৭১ কোটি ২৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে এ বছর ঘাটতি বাজেট দাঁড়িয়েছে ৪১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।
এদিকে গত ৪ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স কমিটি ও ৭ জুন সিন্ডিকেট সভায় প্রস্তাবিত বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।