পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিয়ের পর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। গতকাল সন্ধ্যায় শ্বশুরবাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন পারিবারিক অশান্তির কারণে হোসনেয়ারা গলায় ফাঁস দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছে বলে রানা ইসলামের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। অন্যদিকে গৃহবধূর বাবা অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যার পর এলাকায় আত্মহত্যার খবর প্রচার করা হয়েছে। এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করতে সময় লেগে যায় পুলিশের।
হোসনেয়ারার বাবা আবদুল মালেক অভিযোগ করে বলেন, ঈদের আগে তার জামাতা একটি স্মার্টফোন চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটি দিতে না পারায় জামাতা ও তার পরিবারের লোকজন ক্ষেপে যান। এ নিয়ে বিরোধের জেরে তার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে আত্মহত্যার খবর প্রচার করা হয়। মেয়ের লাশ ঘরের বারান্দায় ফেলে জামাতা ও তার মা–বাবা পালিয়ে যান বলেও জানান তিনি।
বাগমারা থানার পরিদর্শক তৌহিদুর রহমান বিকেলে মুঠোফোনে বলেন, এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। মামলায় ওই গৃহবধূর স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে আসামি করা হয়। তিনি আরও বলেন, ওই গৃহবধূর বাবার ভ্যানে রাতে থানায় লাশ আনা হয়েছে। বাহন না পাওয়ায় তার (গৃহবধূর বাবার) ভ্যানেই থানায় নেওয়া হয়।