নার্স তানিয়ার মাথার খুলি ফাটিয়ে দেয় ধর্ষকরা
কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নার্স তানিয়াকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর তার মাথায় আঘাত করে ধর্ষকরা। এতে তার মাথার খুলি ফেটে যায়। কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান ময়নাতদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডা. হাবিব বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে এই চাঞ্চল্যকর মামলার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। তানিয়ার শরীরে দশটি স্থানে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে ধর্ষণ এবং হত্যার আলামত পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, ‘তানিয়ার মাথার খুলি দুইভাগ হয়ে গেছে। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।’ ধর্ষণে জড়িতের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা তানিয়ার শরীর থেকে প্রাপ্ত মেটিরিয়াস ডিএনএ টেস্টের জন্য পাঠিয়েছি। ওই প্রতিবেদন আসার পর জানা যাবে কতজন ধর্ষণে জড়িত ছিল।’
উল্লেখ্য, স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি বাসে গত ৬ মে তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। বাজিতপুর উপজেলার গজারিয়ায় কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন ঢাকা থেকে নিজ গ্রামে ফিরছিলেন তানিয়া। তিনি কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের মো. গিয়াসউদ্দিনের মেয়ে। তানিয়া ঢাকার কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালে সেবিকা পদে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় বাসের চালক নূরুজ্জামান নুরু (৩৯) ও সহকারী লালন মিয়াসহ (৩২) মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।