১৪ মার্চ ২০২১, ১৯:২৮

নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের ২১৫৫ শিক্ষক

  © ফাইল ফটো

নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন দেশের সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের শূন্যপদে দুই হাজার ১৫৫ শিক্ষক। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় দেড় যুগ পর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে পিএসসি সুপারিশ পাওয়াদের যোগদান কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানা গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর পিএসসি থেকে দুই হাজার ১৫৫ জনকে সরকারি মাধ্যমিকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে। এরপর তাদের ব্যক্তিগত জীবনের তথ্য সংগ্রহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন কাজ শুরু করা হয়। সম্প্রতি তাদের যোগদান শুরু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়। যোগদান পাওয়ার ৫ বছর পর এসব শিক্ষকরা বিএড সম্পন্ন করবেন। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে। মতামত পেলে সুপারিশ পাওয়াদের যোগদান শুরু করা হবে।
 
দেশের ৩১৯টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সঙ্কট আছে বলে জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সবশেষ ২০১১ সালে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে স্কুলগুলোর জন্য বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছিল না। এছাড়া বিসিএসের নন-ক্যাডার থেকে যারা শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়ে আসেন, তাদের বেশিরভাগই পরে অন্য চাকরিতে চলে যান। এতে বিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক সঙ্কট থেকেই যায়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক শূন্য রাখা হবে না, সরকারের এমন ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এককভাবে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করে পিএসসি।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে লিখিত পরীক্ষা হয়। ওই বছরের নভেম্বরে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। চলতি বছর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। এখন লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ করে তাদের নিয়োগ দিতে সুপারিশ করবে পিএসসি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আশা করি, এক মাসের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগের কাজ শেষ হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত পেলে যোগদান শুরু হবে বল জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।