ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা ওপরের দিকে থাকে: চেয়ারম্যান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা  © ফাইল ফটো

মাদ্রাসার যে কোনো পর্যায় থেকে সাধারণ শিক্ষায় যাওয়ার সুযোগ আছে জানিয়ে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ বলেছেন, ‘অনেকেই এখান থেকে সাধারণ শিক্ষায় যাচ্ছেন। মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের যে কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছেন। মেডিকেলে ভর্তি হচ্ছেন। এমনকি বুয়েটেও ভর্তি হচ্ছেন।’ জার্মানভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের বাংলা বিভাগকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন।

অধ্যাপক কায়সার আহমেদ, ‘এখন জেডিসি হচ্ছে অষ্টম শ্রেণির জেএসসির সমান, দাখিল এসএসসির সমান আর আলিম এইচএসসির সমান। খেলাধুলা, শরীর চর্চা, সহশিক্ষা, চারু ও কারু শিক্ষাসহ সব ধরনের ব্যবস্থাই মাদ্রাসায় আছে। চাকরির ক্ষেত্রেও কোনো পার্থক্য করা হয় না। কেনো কোনো ক্ষেত্রে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এগিয়ে থাকেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ওপরের দিকে থাকেন।’

তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার পাঠ্যসূচি ও পাঠক্রম যেহেতু একইরকম তাই পার্থক্যের কোনো কারণ নেই। তারা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারও হচ্ছেন। বাকিটা নির্ভর করে ব্যক্তির যোগ্যতা ও দক্ষতার ওপর।’ এসময়  মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে আছে, চাকরি পায় না- মানুষের মধ্যে এমন ধারণার বিষয়ে তিনি বলেন,  এখানে দুইটি ধারা আছে। আলিয়া ধারার শিক্ষা আছে, আবার কওমি ধারার মাদ্রাসাও আছে। কেউ যদি কওমির সাথে আলিয়াকে গুলিয়ে ফেলেন তাহলে ওই ধারণা তৈরি হতে পারে।’

তঅধ্যাপক কায়সার আহমেদ বলেন, ‘কওমিতে তো সাধারণ পাঠ্যসূচি ও পাঠক্রম নেই। ওখানে কী পড়ানো হয় তাও তো প্রকাশ করা হয় না ঠিকভাবে। এখন কওমি মাদ্রাসায় পড়ে যখন কেউ একজন সাধারণ চাকরি পায় না, তখন সাধারণ মানুষের ধারণা হয় যে, মাদ্রাসায় পড়লে চাকরি পাওয়া যায় না। তারা গণিত, ইংরেজি , বিজ্ঞান পড়েন না। তাহলে সাধারণ চাকরি পাবেন কিভাবে?’


মন্তব্য