আজ মাশরাফি-লিটনের ফাইনালে ওঠার লড়াই

মাশরাফি-লিটনের ফাইনালে ওঠার লড়াই
মাশরাফি-লিটনের ফাইনালে ওঠার লড়াই  © সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসরের শেষ অধ্যায়ে চলে এসেছে। আজ শুরু প্লে-অফ রাউন্ড। ফাইনালে উঠতে প্রস্তুত মাশরাফি ও লিটনরা। আজ সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে সিলেট ও কুমিল্লা। শুরু থেকে আলো ছড়ানো দলের নাম সিলেট। গতবারের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স টানা ৩ হারে শুরু করে এবার বিপিএল আসর। তারপর আর কুমিল্লাকে কেউ হারাতে পারেনি। টানা ৯ ম্যাচ জিতে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ পর্ব থেকে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থেকে প্লে-অফে উঠেছে তারা। এবার দুরন্তু-দুর্বার কুমিল্লাকে ঠেকানোর লড়াই আরেক দুর্দান্ত দল সিলেট স্ট্রাইকার্সের।

প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে লড়বে টেবিলের ১ ও ২ নম্বর দল সিলেট স্ট্রাইকার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সিলেট ও কুমিল্লা ম্যাচে জিতলে ফাইনাল, হারলে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার খেলে ফাইনালে ওঠার আরেকটি সুযোগ থাকবে। যদিও তাদের পয়েন্টও ১৮, কিন্তু নেট রানরেটে এগিয়ে থাকার সুবাদে এক নম্বর দল মাশরাফি বিন মর্তুজার সিলেট। এই ম্যাচের বিজয়ী দল সবার আগে নবম বিপিএল আসরের ফাইনালে উঠবে। 

সর্বশেষ ম্যাচে মাশরাফি ইনজুরি নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন, কিন্তু বোলিং করেননি। আজ তাকে পুরোপুরিই পেতে আশাবাদী সিলেট। দলের ব্যাটিং শক্তি সেভাবে কমেনি। কারণ শীর্ষ দুই রান সংগ্রাহক নাজমুল হোসেন শান্ত ও তৌহিদ হৃদয় আছেন। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম, থিসারা পেরেরা, জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্ল, জাকির হাসানরা ভালো পারফর্মার। সিলেট মোহাম্মদ আমির ও ইমাদ ওয়াসিমের জায়গায় তারা দলে যোগ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁহাতি স্পিন অলরাউন্ডার জর্জ লিন্ডে ও শ্রীলঙ্কার সাবেক পেসার ইসুরু উদানাকে। তবে দুর্বার কুমিল্লা সর্বশেষ ৯ ম্যাচে অপরাজিত থেকে উজ্জীবিত এবং শক্তিমত্তা বাড়িয়ে আজ জিততেই মাঠে নামবে।

আরও পড়ুন: পঞ্চমবার ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে রিয়ালের শততম শিরোপার স্বাদ

এবার বিপিএল মাতিয়ে রেখেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। লিগ পর্বে কুমিল্লার ভারসাম্য ধরে রেখেছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও খুশদিল শাহরা। অবশ্য খুব বেশি চিন্তা নেই ইমরুল কায়েসের। প্লেঅফের আগে যোগ দিয়েছেন সুনীল নারাইন, আন্দ্রে রাসেলরা। শুক্রবার যোগ দেন ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলীও। তাতে করে শিরোপার জন্যই প্রস্তুত তারা।

দিনের প্রথম ম্যাচটি বরিশাল ও রংপুরের জন্য ডু অর ডাই ম্যাচ। কারণ এই ম্যাচে হারলেই বিদায় নিতে হবে। আর জিতলে থাকবে ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ। এলিমিনেটর ম্যাচে জয়ী দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলবে প্রথম কোয়ালিফায়ারে হেরে যাওয়া দলের সঙ্গে।


সর্বশেষ সংবাদ