সৈকতের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের
- টিডিসি রিপোর্ট
- প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:১৬ PM , আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:৩০ PM
‘সাত কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি ঢাবির বাইরে হওয়ার সুযোগ নেই’— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাবরেটরি, নিউমার্কেট, নীলক্ষেত এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা কলেজের মূলফটকের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা।
প্রসঙ্গত, আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সংকট নিরসনে ঢাবি ছাত্রলীগের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে তানভীর হাসান সৈকত বলেন, অধিভুক্ত সাত কলেজের ছাত্রলীগের কমিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে গিয়ে হওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। যার প্রতিবাদ করেছে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ।
সরেজমিনে দেখা যায়, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা কলেজের উত্তর ছাত্রাবাস, পশ্চিম ছাত্রাবাস, আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাস, আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস ছাত্রাবাস এবং শহীদ ফরহাদ হোসেন ছাত্রাবাসের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এরপর রাত আটটার দিকে দক্ষিণ ছাত্রাবাস, দক্ষিণায়ন ছাত্রাবাসের নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মিরপুর সড়কে অবস্থান নেয়।
এ সময় ‘সেন্ট্রালেই আছি, সেন্ট্রালেই থাকবো, ‘ঢাবির সিদ্ধান্ত মানি না, মানবো না’, ‘অবৈধ সিদ্ধান্ত, মানি না মানবো না’ ‘ঢাবির অধীনে, যাবোনা যাবোনা’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। উভয় মিছিলটি ঢাকা কলেজের আবাসিক এলাকা থেকে বের হয়ে কলেজ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে সাইন্সল্যাবরেটরী মোড় ঘুরে নীলক্ষেত হয়ে পুনরায় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বলেন, ঢাবি অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজ বিশেষ করে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তত্ত্বাবধানে রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। এই সাতটি সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেওয়ার যে চেষ্টা করা হচ্ছে সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি এক ধরনের অপচেষ্টা। ঘৃণাভরে আমরা এই ধরনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ সেন্ট্রাল ছাত্রলীগের সাথে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এর ব্যতিক্রম হলে আরো কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।