২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৭

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ২ সমর্থককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ ধানের শীষ প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে

স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই সমর্থককে কুপিয়ে জখম  © সংগৃহীত

ফরিদপুর-১ আসনের মধুখালীতে নির্বাচনি ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই সমর্থককে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ধানের শীষের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। 

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের দোস্তরদিয়া গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত দুই ভাই বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহতরা হলেন—আবিদ হাসান রনি (২৬) ও আলিফ হাসান (২৪)। তারা ওই গ্রামের জাহিদ হাসানের ছেলে এবং ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসার খানের সমর্থক।

আহতদের বাবা জাহিদ হাসান অভিযোগ করেন, বিকেলে গ্রামের ইটভাটার পাশে ফুটবল মার্কার ব্যানার টাঙানোর সময় বিএনপি প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের সমর্থক জিহাদ (৩৮) তাদের বাধা দেন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রনি ও আলিফকে কুপিয়ে জখম করা হয়।

আরও পড়ুন: দুইদিনে সোনার দাম বাড়ল ২৩ হাজারের বেশি, আজ ভরি কত?

স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসার খান বলেন, ‘আমার কর্মীরা ব্যানার টাঙাতে গেলে বিএনপির লোকজন বাধা দেয় এবং বলে এই এলাকায় কেউ ব্যানার টাঙাতে পারবে না। এরপর তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিষয়টি স্থানীয় ইউএনও-কে জানানো হয়েছে।’

অভিযোগ অস্বীকার করে ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিএনপির কোনো কর্মী হামলা করেনি। স্বতন্ত্র প্রার্থী বাসার খানের শতকোটি টাকার দেনা রয়েছে; পাওনাদাররা হামলা করতে পারে। বিএনপির কর্মীরা এখন ভোট নিয়ে ব্যস্ত। যদি আমাদের কেউ জড়িত থাকে, পুলিশ ব্যবস্থা নিলে আমার কোনো আপত্তি নেই।’

এ বিষয়ে মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে হামলার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। অপরাধীদের শনাক্তে কাজ চলছে।

প্রসঙ্গত, ফরিদপুর-১ (মধুখালী, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন শিল্পপতি আবুল বাসার খান। তিনি রাজ্জাক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং তিনবার সিআইপি ছিলেন। তিনি মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের আশাপুর গ্রামের রাজ্জাক খানের ছেলে। এ ছাড়া ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।