২২ নভেম্বর ২০২৩, ১১:১১

৫ম গণবিজ্ঞপ্তি কবে— যা জানালেন এনটিআরসিএ সচিব

ওবায়দুর রহমান ও এনটিআরসিএর লোগো  © ফাইল ফটো

৫ম গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে আমরা এখনো আলোচনা করিনি। ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এ তথ্য জানান বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সচিব ওবায়দুর রহমান।

এনটিআরসিএ’র সচিব জানান, ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। কিছু তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। তবে তা পুনরায় সংগ্রহ করা হবে। ডিসেম্বরে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করা হতে পারে। এছাড়া এখন ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে এনটিআরসিএ। 

আরও পড়ুন: ১৮তম নিবন্ধনের প্রিলি কবে— যা বললেন চেয়ারম্যান

ওবায়দুর রহমান আরও বলেন, ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশের চিন্তাভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হলে নির্বাচনের পর গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করা হবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এর আগে গত বুধবার এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এনামুল কাদের খান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘৫ম গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে এখনো আলোচনার সময় আসেনি। আমরা প্রথমে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ করব। নিবন্ধনের ফল প্রকাশ হয়ে গেলে তখন ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: আরও ৭১৩ জনকে নিয়োগ সুপারিশ এনটিআরসিএর

এনটিআরসিএ’র একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজ শুরু হবে। তবে জানুয়ারি মাসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই অবস্থায় ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চে ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। তবে বিষয়টি একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএ’র শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান শাখার এক কর্মকর্তা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে কাজ শুরু হবে। ৭ জানুয়ারি নির্বাচন পরবর্তী কোনো সহিংসতা না হলে মার্চের মধ্যে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। তবে বিষয়টি নির্ভর করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপর।