© ফাইল ফটো
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেয়া মৃতের সংখ্যার তথ্যের সাথে কবরস্থানে দাফন ও শ্মশানঘাটে সৎকার করা লাশের সংখ্যার হিসাব মিলছে না। স্বাস্থ্য অধিদফতরে দেয়া তথ্যানুযায়ী গতকাল পর্যন্ত দেশে করোনায় মারা গেছে ২৮৩ জন। তবে কবরস্থানে দাফন করা ও শ্মশানঘাটে দাহ করা লাশের সংখ্যা প্রায় ৪০০।
জানা গেছে, কেবল রাজধানী ঢাকার কবরস্থানগুলোতেই দাফন করা হয়েছে ২৩৭ জন করোনা পজিটিভ রোগী। এর মধ্যে খিলগাঁও তালতলা কবরস্থানে ১৩৯ জন, রায়েরবাজার কবরস্থানে ৫৯ জন, আজিমপুর কবরস্থানে ২ জন এবং মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দুইজনকে দাফন করা হয়েছে। এছাড়া পোস্তগোলা শ্মশানঘাটে সৎকার করা হয়েছে ৩৫ জনের।
রাজধানীর বাইরে সারাদেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ১৫৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জে ৫৯ জন, চট্টগ্রামে ১৯ জন, মুন্সীগঞ্জে ১২ জন মারা গেছেন।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, আমাদের হাসপাতাল থেকে আমরা যে রিপোর্টগুলো পাই এবং আমাদের বিভাগগুলো থেকে আমাদের যে রিপোর্টগুলো জানানো হয়; সেগুলো দেখেই আমরা তথ্য দেই। এখন যদি কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে মারা যায় এবং তার পরিবার যদি না জানায় তাহলে সেই সংখ্যা আমরা কীভাবে বলবো।
এছাড়া দেশে করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ৮ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৯২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ (সিজিএস)। দেশের ১৬টি দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতি সপ্তাহে সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
উল্লেখ্য দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম তিনজন করোনা আক্রান্ত রোগীর তথ্য জানায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৮৬৩ জনে।