মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা ঢাবি, বুয়েটেসহ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারছে: চেয়ারম্যান

অধ্যাপক কায়সার আহমেদ
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ  © ডয়েচে ভেলে

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ বলেছেন, ‘আলিয়া মাদ্রাসা আর কওমি মাদ্রাসার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আর কর্মক্ষেত্রেও তার প্রভাব পড়ছে। সাধারণ শিক্ষায় যা যা পড়ানো হয় তার পুরোটাই মাদ্রাসায় পড়ানো হয়। প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান সবই পড়ানো হয়। অতিরিক্ত আরো তিন থেকে পাঁচটি ইসলামি বিষয়ও পড়ানো হয়। জাতীয় শিক্ষা কারিকুলাম যা, মাদ্রাসায়ও তাই।’ ডয়েচে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন।

অধ্যাপক কায়সার আহমেদ বলেন, ‘মাদ্রাসার কারিকুলামের পুরোটাই ঠিক করে জাতীয় শিক্ষাক্রম এবং পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।মাদ্রাসার যে-কোনো পর্যায় থেকে সাধারণ শিক্ষায় যাওয়ার সুযোগ আছে। অনেকেই এখান থেকে সাধারণ শিক্ষায় যাচ্ছেন। মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের যে-কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছেন। মেডিকেলে ভর্তি হচ্ছেন। এমনকি বুয়েটেও ভর্তি হচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষায় যা যা পড়ানো হয় তার পুরোটাই মাদ্রাসায় পড়ানো হয়। এখন জেডিসি হচ্ছে অষ্টম শ্রেণির জেএসসির সমান, দাখিল এসএসসির সমান আর আলিম এইচএসসির সমান। মাদ্রাসায় খেলাধুলা, শরীর চর্চা, সহশিক্ষা, চারু ও কারু শিক্ষাসহ সব ধরনের ব্যবস্থায় আছে।’

চাকরি পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চাকরির ক্ষেত্রেও কোনো পার্থক্য করা হয় না। কেনো কোনো ক্ষেত্রে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এগিয়ে থাকেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উপরের দিকে থাকেন। মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার পাঠ্যসূচি ও পাঠক্রম যেহেতু একইরকম তাই পার্থক্যের কোনো কারণ নেই। তারা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারও হচ্ছেন। বাকিটা নির্ভর করে ব্যক্তির যোগ্যতা ও দক্ষতার ওপর।’


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ