এইচএসসি: ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন মানোন্নয়নের শিক্ষার্থীরা

এইচএসসি পরীক্ষা
কান্নারত শিক্ষার্থীরা  © ফাইল ফটো

চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ৭ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের বিগত দুটি বোর্ড পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে এইচএসসির গ্রেড দেয়ার কথা জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে মানোন্নয়ন দিতে চাওয়া অনেক শিক্ষার্থীর ফল খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কেননা ইম্প্রুভমেন্ট দিতে চাওয়া অনেকেরই জেএসসি-এসএসসিতে ফল খারাপ হয়েছিল।

তথ্যমতে, এবারের এইচএসসিতে প্রায় ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা ছিল। এর মধ্যে ১৬ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী বিগত এইচএসসি পরীক্ষায় একটি অথবা দুটি বিষয়ে খারাপ করে। তারা মানোন্নয়নের জন্য এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন করে। আপাতত মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদেরও জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফল মূল্যায়ন করে গ্রেড দেয়ার কথা বলা হয়েছে। সে হিসেবে যাদের জেএসসি কিংবা এসএসসির কোনো একটিতে ফলাফল খারাপ হয়েছিল তাদের ফল খারাপ হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

শিক্ষাবীদরা বলছেন, যে সকল শিক্ষার্থী গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল করেননি তাদের ফল প্রস্তত করা নিয়ে বেশ বিপাকে পড়তে হবে। কেননা তাদের অনেকেই জেএসসি-এসএসসিতে খারাপ করেছিল। গতবারের এইচএসসি পরীক্ষায় এক অথবা দুই বিষয়ে খারাপ করায় তাদের সামগ্রিক গ্রেড খারাপ আসে। তাই তারা ইমপ্রুভ দিতে চেয়েছিল। তবে পরীক্ষা না হওয়ায় তাদের অনেকের ফল খারাপ হতে পারে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁদেরও জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। তাই যদি কারো জেএসসি-এসএসসির ফল খারাপ থাকে তারা সমস্যায় পড়তে পারেন।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো ছাত্র-ছাত্রীর যেন ফল খারাপ না হয় তারা সেটি নিয়েই কাজ করছেন। ফল প্রস্তুতির বিষয়ে কাজ করতে গিয়ে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো সমাধানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠন করে দেয়া কমিটি কাজ করছে।

এ বিষয়ে আন্ত: শিক্ষা বোর্ড সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, উদ্ভূত সব সমস্যা মাথায় নিয়েই কাজ করছে কমিটি। শিক্ষার্থীদের ফলাফল যেন খারাপ না হয় সে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।


মন্তব্য