৩০ জানুয়ারি ২০২২, ১৪:১৩

বরগুনায় বিক্রি হলো শিক্ষার্থীদের টিকা

ফাইজা টিকা  © সংগৃহীত ছবি

বরগুনা সদর হাসপাতালে টাকা নিয়ে বিদেশগামী এক ব্যক্তিকে শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট এনামুল কবিরের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট এনামুল কবীর।

আরও পড়ুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে যা বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের ইসমাইল খানের ছেলে কামাল হোসেন সৌদি যাবেন। তিনি গত বুধবার বরগুনা সদর হাসপাতালে করোনা টিকা দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেন। কামাল হোসেন বলেন, আজ শনিবার টিকা দেওয়ার জন্য আমি বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে যাই। সেখানে এনামুল কবির নামের ওই টিকাদানকারী আমাকে জিজ্ঞাসা করেন ফাইজারের টিকা নেব কি না। এরপর একটি রুমে নিয়ে ফাইজারের টিকা দেওয়া যাবে বলে তিনি জানান। তবে এই টিকার জন্য তিনি দুই হাজার টাকা দাবি করেন। আমি তাঁকে এক হাজার টাকা দিই এবং বাকি টাকা তাঁর বিকাশ নম্বরে দেওয়ার কথা বলি। টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমি আমার মামা জেলা যুবলীগ নেতা সাহাবুদ্দিন সাবুকে জানালে তিনি এসে এনামুলের কাছ থেকে আমার টাকা ফেরত নেন।

সাহাবুদ্দিন সাবু বলেন, আমি জানার পর হাসপাতালে গিয়ে তত্ত্বাবধায়ককে টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানাতে গেলে তিনি হাসপাতালে না থাকায় তাঁর স্টাফ জালাল উদ্দীন বিষয়টি শুনে এনামুল কবিরের কাছ থেকে টাকা ফেরত এনে দেন।

আরও পড়ুন: ভাসমানরা পাবে জনসনের টিকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) এনামুল কবীর বলেন, আমি কোনো টাকার বিনিময়ে টিকা দিইনি। টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টিও ভিত্তিহীন।

বরগুনার সিভিল সার্জন মুহাম্মদ ফজলুল হক বলেন, টাকা নিয়ে টিকা দেওয়ার কোনো বিধান নেই। আমি বিষয়টি শুনেছি। সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে নিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখব। অভিযোগের সত্যতা পেলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।