ব্রাজিলের জালে এক হালি গোল আর্জেন্টিনার
- টিডিসি রিপোর্ট
- প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৫, ০৮:০৫ AM , আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৫, ০৮:৩২ AM

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে বুধবার মাঠে নামে লাতিন আমেরিকার দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা রীতিমতো ছেলে-খেলা খেলেই ৪-১ গোলে উড়িয়ে দেয় ব্রাজিলকে। যদিও ম্যাচ শুরুর আগেই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল।
ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিট। অসাধারণ এক গোলে আর্জেন্টিনাকে লিড এনে দেন হুলিয়ান আলভারেজ। এরপর দ্বিতীয় গোলটি করেন এনজো ফার্নান্দেজ। শুরুর এমন ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই দ্বিতীয় গোল হজম করে ব্রাজিল। নিজেদের সীমানা থেকে ছোট ছোট পাসে আক্রমণে উঠে নাহুয়েল মোলিনা ডান দিক থেকে ব্রাজিলের বক্সে পাস বাড়ান, মাঝপথে প্রতিপক্ষের একজনের পায়ে লেগে আসা বল ছয় গজ বক্সে পেয়ে জালে ঠেলে দিতে ভুল করেননি চেলসি মিডফিল্ডার এনসো ফের্নান্দেস।
শুরু থেকে বল দখলেও অনেক পিছিয়ে থাকা ব্রাজিল ২৬তম মিনিটে গোলের জন্য প্রথম শট নিয়েই সাফল্য পায়। গোলটির পেছনে অবশ্য পুরো দায় ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর। ডি-বক্সের বাইরে বল অনেক্ষণ পায়ে রাখেন তিনি, সেই সুযোগে ছুটে গিয়ে তার থেকে বল কেড়ে নিয়ে নিচু শটে গোলটি করেন উলভসের ফরোয়ার্ড কুইয়া।
৩৬তম মিনিটে আবার দুই গোলে এগিয়ে যেতে পারতো আর্জেন্টিনা। তবে এই যাত্রায় আলমাদার জোরাল শট অসাধারণ নৈপুণ্যে ঝাঁপিয়ে আটকান গোলরক্ষক বেন্তো।
যদিও পরের মিনিটেই স্কোরলাইন ৩-১ করে স্বাগতিকরা। এনসো ফের্নান্দেসের দারুণ ক্রস বক্সে পেয়ে চমৎকার ভলিতে আগুয়ান গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন মাক আলিস্তের।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নিজেদের চতুর্থ গোল পেতে পারতো আর্জেন্টিনা। ৪৯ মিনিটে ব্রাজিলের রক্ষণের ভুলেই ভাসানো বল পেয়েছিলেন আলভারেজ। ডি-বক্সের লাইন থেকে চিপটাও করেছিলেন মাপা। কিন্তু এই দফায় ব্রাজিলের গোলরক্ষক বেন্তো ছিলেন দারুণ। খানিক পিছিয়ে বল ঠেকিয়ে দেন তিনি।
৬০ মিনিটে নিকোলাস টালিয়াফিকোর হেড গোলবারে বাতাস দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৬৮ মিনিটে আর্জেন্টিনা একাদশে আসে পরিবর্তন। আলমাদার বদলে মাঠে নামেন গুইলিয়ানো সিমিওনে। মাঠে নেমে গোল করতে তার দরকার ছিল তিন মিনিট।
নিজেদের অর্ধ থেকে এনজো ফার্নান্দেজের তড়িৎগতির ফ্রি-কিক খুঁজে নেয় টালিয়াফিকোকে। সেখান থেকে বক্সে পাস ছিল ম্যাক অ্যালিস্টারের দিকে। আর্জেন্টাইন এই মিডফিল্ডার মিস করলেও বল যায় সিমিওনের দিকে। দূরহ কোণ থেকে তার নেয়া শট ঠেকাবার কোনো উপায় ছিল না বেন্তোর সামনে। স্কোরলাইন তখন ৪-১।