অনার্স শেষে এমআইটিতে পিএইচডি করতে যাচ্ছেন বুয়েটের ৩ শিক্ষার্থী

ফুল-ফ্রি স্কলারশিপও পেয়েছেন তাঁরা

মাহমুদুল ইসলাম রিদুল (বাঁয়ে), নিশাত তাবাসসুম (মাঝে) এবং শাশ্বত সৌম্য
মাহমুদুল ইসলাম রিদুল (বাঁয়ে), নিশাত তাবাসসুম (মাঝে) এবং শাশ্বত সৌম্য  © সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের কেমব্রিজ শহরে অবস্থিত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) ফুল-ফ্রি স্কলারশিপের সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী। বুয়েট থেকে স্নাতক শেষ করে তারা প্রত্যেকে এমআইটিতে ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) ডিগ্রির জন্য পাড়ি জমাবেন।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) ছাত্রকল্যাণ পরিচালক (ডিএসডাব্লিউ) ড. মিজানুর রহমান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাদের প্রত্যেকের ভিসা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, শীঘ্রই তারা এমআইটির উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বুয়েট

এমআইটিতে চান্স পাওয়া বুয়েটের তিন শিক্ষার্থী হলেন- কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নিশাত তাবাসসুম, কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের শ্বাশত সৌম্য, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাহমুদুল ইসলাম রিদুল।

এদের মধ্যে শাশ্বত সৌম্য বুয়েট থেকে স্নাতক শেষ করে নিজ বিভাগে লেকচারার হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগেও লেকচারার হিসেবেও যুক্ত ছিলেন। সৌম্য নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন।

আরও পড়ুন: অক্সফোর্ড জয়ী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের গল্প

অন্যদিকে মাহমুদুল হাসান রিদুলও বুয়েটের কারিগরি সহযোগী হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। তার গ্রামের বাড়ি রংপুরে। তিনি পড়াশোনা করেছেন ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজ থেকে।

ড. মিজানুর রহমান বলেন, বুয়েট থেকে প্রায় প্রতিবছরই এভাবে অনেক শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান। পড়াশোনা শেষে অনেকে দেশে ফিরে আসেন আবার কেউ কেউ সেসব দেশেই স্থায়ী হন। বিগত কয়েক বছরেও একাধিকজন বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে বুয়েটে শিক্ষকতা শুরু করেছেন।

আরও পড়ুন: ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ নিয়ে স্নাতক পড়ুন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়

এদিকে, বুয়েটের এ তিন শিক্ষার্থীর এমআইটিতে চান্স পাওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে। তাদের তিনজনের ছবির যুক্ত করে ব্যবহারকারীরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। অনেকে নিজেদের প্রত্যাশার কথাও জানাচ্ছেন। কেউ কেউ তো এ তিনজনকে নিজেদের অনুপ্রেরণা বলে উল্লেখ করেছেন।

এমআইটি বিশ্বের শীর্ষ ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রকৌশল ও মৌলিক বিজ্ঞানের বিভাগগুলো সব সময়ই আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম হয়। গত কয়েক বছরে প্রতিষ্ঠানটির মানবিক অনুষদের বিভিন্ন বিষয়ও বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে চলে এসেছে। এখানে শিক্ষকতা করেন বিশ্বের নামকরা সব পণ্ডিত ও গবেষকরা।


সর্বশেষ সংবাদ