মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে রূপালী পর্দায়— শুরু থেকেই চমক দিয়েছেন সুশান্ত
মানসিক অবসাদে জীবনযুদ্ধে হার মেনেছেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত— এমনটাই শোনা যাচ্ছে প্রাথমিকভাবে। তবে হার না মানার অভ্যাসের পরিচয় প্রতি পদক্ষেপে দিয়েছেন এই অভিনেতা।
দিল্লি টেকনলজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র থাকাকালীন কোরিওগ্রাফার শামাক দাভারের নাচের ক্লাসে নাম লেখানো থেকে শুরু। পরে তাঁর ক্লাসের কিছু বন্ধুরা অভিনয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে ব্যারি জনের নাটকের ক্লাসে যোগ দেয়, সেও সেই সময় ছিল সেই বন্ধুদের দলে।
সুশান্ত ঠিক তারপর থেকেই জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন দেখেছিল। অভিনয় নিয়ে তাঁর বক্তব্য, “আমার কাছে এই অভিজ্ঞতা স্বাধীন হওয়ার মত”।
দর্শকদের সঙ্গে কথোপকথনে সাবলীল এই অভিনেতা নিজের দক্ষতা এবং আবেগ দিয়ে মন জয় করা নিয়ে প্রথম থেকেই বেশ প্রত্যয়ী ছিলেন। নাচের ক্লাসে যোগ দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই শামাক দাভারের স্ট্যান্ডারড ডান্স ট্রুপের জন্য কাজ করেন। এইভাবেই শুরু হয় তাঁর যাত্রা।
দিল্লি টেকনলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির এই ছাত্র পড়াশোনা থেকে ক্লান্ত হয়ে হঠাতই সে আনন্দ খুঁজে পায় অভিনয়ে, নাটকের ক্লাসে। সেখান থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে দেওয়া এবং ফ্যাশনের সঙ্গে ঘর করেছেন সুশান্ত।
জীবনের প্রতি একাগ্রতা ছিল প্রথম থেকেই সেই ছাপ প্রতিক্ষেত্রে রেখেছেন তিনি। পদার্থবিদ্যায় ন্যাশনাল অলিম্পিয়াড জয়ী হিসেবেও তাঁর নাম রয়েছে। প্রায় ১১টি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এন্ট্রান্স পরীক্ষায় সফল হয়েছেন বড়পর্দার এই সফল অভিনেতা।
জীবনের বিভিন্ন দিকে তাকালে দেখা যাবে জীবনের শুরু থেকেই রঙিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুশান্ত, ভয়হীনভাবে। মনের কথা এবং ফ্যাশনচর্চাকে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং কঠোর পরিশ্রমে সেদিকে এগিয়ে গিয়েছেন।
বলিউডে অভিনয় দক্ষতার প্রশ্ন এলে অবশ্যই তিনি একজন সুদক্ষ, সাবলীল অভিনেতা হিসেবে মনে করা যায় সুশান্ত সিং রাজপুতের নাম। নায়ক হিসেবে অভিনয় করলেও তিনি অভিনেতাই বেশি। তাই শেষ চমকটাও তিনি দিয়েছেন, আর মুগ্ধ হয়ে রূপালী পর্দায় হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছেন দর্শকরা।
সূত্র: কলকাতা 24x7