০৬ জুন ২০২১, ১৩:১৩

অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল ঢাবি ছাত্রী তুষ্টির

ইসরাত জাহান তুষ্টি ও ঢাবি  © লোগো

রাজধানীর আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের বাথরুমের দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান তুষ্টির আগে থেকেই অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। তুষ্টিকে বাসা থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সাফায়েত আহমেদ সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সাফায়েত আহমেদ জানান, তুষ্টির আগে থেকেই অ্যাজমা (হাঁপানি) ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। শনিবার বিকালে দোকানে যাওয়ার সময় সে বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিল। বৃষ্টিতে ভিজে শরীর খারাপ লাগায় শনিবার সে আর বাসা থেকে বের হয়নি। পরে রাতে কখন উঠে সে বাথরুমে যায় তা রুমের অন্যরা বলতে পারছে না। ভোরের দিকে রুমমেটরা সাড়াশব্দ পায়, কিন্তু বাথরুমটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল।

আরো পড়ুন ঢাবি ছাত্রী তুষ্টির মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা চলছে: প্রক্টর

তিনি অন্য জায়গায় থাকেন জানিয়ে বলেন, ইসরাতের রুমমেট ও সহপাঠী রাহনুমা তাবাসসুম রাফি তাকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে তিনি সেখানে যান। পরে ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে সাতটার দিকে অজ্ঞান অবস্থায় তৃপ্তিকে বাথরুম থেকে বের করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে রোববার (৬ জুন) সকালে আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার ইউনিট-২ এর ১৮ নম্বর ভবনের নিচতলায় একটি রুমের বাথরুমের দরজা ভেঙে ইসরাত জাহান তুষ্টিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরো পড়ুন আজিমপুরে বাথরুমে পড়ে ছিল ঢাবি ছাত্রীর নিথর দেহ

এ বিষয়ে পলাশী ব্যারাক ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেয়েছি, অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি বাথরুমের ভেতরে পড়ে মারা যেতে পারেন। শনিবার বৃষ্টিতে ভিজেছিলেন। এ ছাড়া তার ঠাণ্ডার সমস্যা ছিল।

ইসরাত জাহান নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার আলতু মিয়ার মেয়ে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তবে হল বন্ধ থাকায় সে আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে সাবলেট থাকতেন।