‘সকল প্রেক্ষাপটে প্রবৃদ্ধির পূর্বে পরিবেশ রক্ষা করতে হবে’
‘বিকশিত মননে উৎকর্ষের স্ফুরণ’ স্লোগানকে ধারণ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের বিতর্ক সংগঠন ‘ডিবেটিং সোসাইটি অফ ইকনোমিকস’ ৬ষ্ঠ বারের মত আয়োজন করে ‘ডিএসই জাতীয় আন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২০’। গত ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর সারা দেশ থেকে ১৯ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬ টি দল এই যুক্তিতর্কের মহারণে (অনলাইন প্লাটফর্মে) অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় কোন রেজিষ্ট্রেশন ফি ছিল না।
সোমবার (২ নভেম্বর) সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ডিএসই'র সাধারণ সম্পাদক সাইমুম মৌসুমী বৃষ্টির সঞ্চালনায় এই আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসই'র সভাপতি মোঃ রেদোয়ান হোসেন। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোঃ শওকত আলী আরও উপস্থিত ছিলেন ক্লাবটির মডারেটর অধ্যাপক ড.খন্দকার মোঃ আশরাফুল মুনিম, ডিএসই'র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড.ওমর ফারুক, ক্লাবটির সাবেক সভাপতি নূর আলম এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ মোহাম্মদ তাইয়্যেব, জেইউডিও'র সভাপতি তাজরীন ইসলাম তন্বী ও প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক জাফর ইমাম। তারা প্রত্যেকেই শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।
এ সময় ড.খন্দকার মোঃ আশরাফুল মুনিম বলেন, ‘বিতর্ক একটি সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা, বিতর্ক করতে হলে জানতে হয়ে আর সেজন্য পড়াশোনা করতে হয় তাই বিতর্ক শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞানকে আরো গভীরে গিয়ে ভাবতে সাহায্য করে। এই চর্চাকে সারাদেশ ব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া উপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।’
তাজরীন ইসলাম তন্বী বলেন, ‘ডিএসই'র সূচনা লগ্ন থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় বিতর্ক সংগঠন জেইউডিও এই ক্লাবটির পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।’ সবশেষে ডিবেটিং সোসাইটি অফ ইকনোমিকসের সভাপতি মোঃ রেদোয়ান হোসেন করোনা মুক্ত পৃথিবীতে ৭ম জাতীয় আন্তঃক্লাব আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনদিন ব্যাপী এই মহারণের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘৩০ ও ৩১ অক্টোবর এই দুইদিন পর্যায়ক্রমিক ধাপগুলো পার করে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্সডিসি) এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (সিইউডিএস) পরিবেশ ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে অনলাইন ছায়া সংসদে এমনই বাক যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বিজয়ী দল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (সিইউএসডি)। তবে প্রবৃদ্ধির বিষয়টি মাথায় রেখে পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে দুটি দলই একমত। ফাইনাল বিতর্কে শ্রেষ্ঠবক্তা নির্বাচিত হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিক অর্জন ত্রিপুরা। আর পুরো টুর্নামেন্ট বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিক আহনাফ শারার হোসেন।’