সেই কর্মচারীকে মারধরের প্রতিবাদে মানবন্ধন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরীর প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মারধর ও ‘সন্ত্রাসী হামলার’ প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা।
রোববার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে কর্মচারী সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এ কর্মসূচি পালন করেন বিক্ষুদ্ধরা। এতে শতাধিক কর্মচারী অংশ নেয়।
এর আগে গত বুধবার খাইরুল তার ভাড়া করা সন্ত্রাসীদের দিয়ে বেগম সুফিয়া কামাল হলের ‘হল অ্যাটেন্ড্যান্ট’ নাইম ইসলামকে হামলা করে। হামলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নাইমের মাথা ও হাত মারাত্মকভাবে জখম হয়।
মানববন্ধনে কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি শরীফ মিয়া বলেন, ‘কর্মচারী নেতা হয়েও অপর কর্মচারীকে খাইরুল তার লোক দিয়ে যেভাবে জখম করেছে তা নেক্কারজনক। অনতিবিলম্বে আমরা এ হামলার বিচার দাবি করছি। অন্যথায় আমরা বৃহৎ কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।’
এদিকে আগামী চার কর্মদিবসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এর বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান শরীফ মিয়া।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, ‘কর্মচারি ইউনিয়নের নেতারা আমার সাথে দেখা করেছে। যত দ্রুত সম্ভব আমি তাদেরকে বিচারের আশ্বাস দিয়েছি। এজন্য তারা আর মানববন্ধন করবেন না বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। খাইরুলের বিরুদ্ধে এর আগেও আমরা একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। আমি তদন্ত কমিটির সদস্য সচিবকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য জানিয়েছি।’
উল্লেখ্য, কর্মচারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও টাকা আত্মসাত ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ করে নাইম। কিন্তু অদৃশ্য কারণে অভিযোগের আট মাস গেলেও এর সুরাহা করেনি বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন।