ডাকসু নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যকারী জামায়াত নেতাকে ক্ষমা চাইতে মুসাদ্দিকের আল্টিমেটাম, নইলে মামলা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ঘিরে জামায়াতে ইসলামী নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে এক খোলা চিঠিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে জাতির সামনে অভিযুক্তকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে আল্টিমেটাম দিয়েছেন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। আজকের (রবিবার) মধ্যে ক্ষমা না চাইলে আগামীকাল সোমবার তার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করবে বলে তিনি খোলা চিঠিতে উল্লেখ করেন।
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে ডাকসুর এই নেতা জামায়াত নেতার প্রতি খোলা চিঠিতে বলেন, বরগুনার জামায়াত নেতা শামীম আহসান 'ডাকসু ছিলো মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে যে ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
‘‘এটা সত্যি যে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশেপাশে থেকে অনেকগুলো মাদক ও পতিতা সিন্ডিকেট [এরা ঢাবির নয় সব বহিরাগত ছিল] চিহ্নিত করে রমনা জোন পুলিশের মাধ্যমে এদেরকে আইন অনুযায়ী হাতেনাতে ধরেছেন’’
খোলা চিঠিতে তিনি আরও বলেন, কিন্তু তাই বলে জামায়েত নেতা যেভাবে ঢালাওভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদক এবং বেশ্যাখানা বলে যে মন্তব্য করেছেন তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চরম অবমাননাকর। তাকে অবিলম্বে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। যদি সে আজকের মধ্যে ক্ষমা না চায় তাহলে আমরা আগামীকাল তার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করবো।
এর আগে গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান দাবি করেন, ‘আমরা দেখছি ডাকসু নির্বাচনের পরে যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায়, সকল প্রকার চাঁদাবাজ, সকল প্রকার দুর্নীতি এটা উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।’