ঢাবিতে গায়ের জোরে শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) গায়ের জোরে শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার। তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে ঘৃণার রাজনীতি জিইয়ে থাকলো। আজ বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে ফেসবুকের এক স্ট্যাটাসে এ দাবি করেন তিনি।
এর আগে আজ দুপুরে শেখ মুজিবুর রহমান হলসহ শেখ পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা পাঁচটি আবাসিক ভবনের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট সভা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, চূড়ান্তভাবে এসব নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিনেটের সভায়। ফলে সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তটি এখন সেখানে পাঠানো হবে এবং সিনেটের সভায় আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্ট্যাটাসে মাহিন বলেন, এই হলের নামকরণ শেখ মুজিবুর রহমান নিজে করেননি, তার গণহত্যাকারী মেয়ে হাসিনাও করেনি। এমন কাজ শেখ হাসিনা করেছে ইতিপূর্বে। ভাসানী নভোথিয়েটার হয়েছে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার, আইপিজিএমআর হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কিংবা জিয়া উদ্যান, সবগুলোই পরিবর্তিত হয়েছে ভিন্ন নামে।
তিনি আরও লেখেন, গঠনমূলক রাজনীতি না করলে 'আগেই ভালো ছিলাম' প্রজেক্ট সফল হবে। ২৪ পরবর্তীতে তরুণ রাজনীতিবিদরা পূর্বতনদের সংগ্রামকে সম্মান দেখাবে এবং প্রজন্মের সেতুবন্ধন গড়ে তুলবে ২৪'র স্বতন্ত্র যাত্রা সুরক্ষিত রাখার জন্য, এমনটাই প্রত্যাশা ছিলো। আওয়ামী লীগ একাত্তর পরবর্তী কর্মকাণ্ডের জন্য ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়েছে, তাদের যারা অপরাধী তাদের রাষ্ট্রীয় শাস্তি নিশ্চিত করাই গঠনমূলক রাজনীতির অংশ।
‘‘শুধু একটা উদাহরণ দিয়ে উপসংহার টানবো। ব্রিগেডিয়ার (অব.)সাখাওয়াত হোসেনকে যে মন্তব্যের জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদ থেকে সরানো হয়েছে সেই একই মন্তব্য সকল রাজনৈতিক দলের নেতারাই করেছেন, কিন্তু তারা বহাল তবিয়তেই আছেন। সময়ের ঝোঁকে আবেগের বশে সিদ্ধান্ত যে ভুল প্রমাণিত হয়ে সেটি ঐ সময় কেটে যাওয়ার পর বোঝা যায়।’’