২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৪৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সালাতুল ইস্তিস্কার অনুমতি মেলেনি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মহসিন হল  © ফাইল ছবি

তীব্র তাপদাহে বৃষ্টি প্রার্থনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সালাতুল ইস্তিস্কার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি না মেলায় এ কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) রাতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা।

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচির আয়োজন করেছেন। বুধবার (২৪ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের মাঠে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ইস্তিস্কার নামাজের ইমামতি ও মুনাজাতের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় শাইখ অধ্যাপক মুখতার আহমদকে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে কর্মসূচি নিয়ে জানানো হয়েছে, তীব্র তাপদাহের কষ্ট থেকে মুক্তি, কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা ও বৃষ্টি প্রার্থনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সর্বসাধারণকে নিয়ে সালাতুল ইস্তিস্কার আয়োজন করা হয়েছে।

তবে এ কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ার বিষয়টি আয়োজকদের পক্ষ থেকে ক্ষুদেবার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অনুমতি না পাওয়ার বিষয়ে আয়োজকরা জানান, সালাতুল ইস্তিস্কার আদায় সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। আগামীকালের অনুষ্ঠিতব্য সালাতুল ইস্তিস্কার ব্যাপারে কথা বলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের ডেকেছে। তীব্র তাপবদাহ চলমান থাকায় এই মুহুর্তে প্রশাসন আমাদের খোলা মাঠে সালাতুল ইস্তিস্কার আদায়ের অনুমতি দেয়নি। পরবর্তী সময়সূচি জানিয়ে দেয়া হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার সারাদেশে বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির আশায় সালাতুল ইস্তিস্কা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অসহনীয় গরমে বৃষ্টির আশায় খুলনায় ইস্তিস্কার নামাজ আদায় করা হয়েছে। এদিন সকাল ১০টায় নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে এই নামাজের আয়োজন করা হয়।

একইদিন সকাল ১০টায় রাজধানীর আফতাবনগর ঈদগাহ মাঠে মুসল্লিদের নিয়ে সালাতুল ইস্তিসকা আদায় করেন ধর্মীয় বক্তা ও আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। নামাজ শেষে অনাবৃষ্টি এবং গরম থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে মুসল্লিরা অঝোরে চোখের পানি ছেড়ে দেন এবং তওবা ও ক্ষমাপ্রার্থনা করেন।