বিএনপির প্রোগ্রামে যাওয়ায় চেয়ারম্যানকে নিয়ে মন্তব্য, ইউজিসি কর্মকর্তাকে শোকজ
বিএনপির প্রোগ্রামে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজকে ইঙ্গিত করে বিরূপ মন্তব্য করায় সংস্থাটির ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন (আইসিটি) বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মুহম্মদ নাজমুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন নাজমুল ইসলাম। যদিও পরে পোস্টটি ডিলেট করে দেন তিনি। এ ঘটনায় ৩ ফেব্রুয়ারি তাকে শোকজ করা হয়।
ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাল স্বাক্ষরিত শোকজ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি আপনার ভেরিফাইড ফেসবুক একাউন্টে কমিশনের চেয়ারম্যানকে ইঙ্গিত করে গর্হিত অপরাধমূলক ও অশোভন একটি পোষ্ট করেছেন যা কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। উক্ত পোষ্টে আপনি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে হেয় প্রতিপন্ন করে, ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে এমন অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য করেছেন যা সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ) এর পরিপন্থি এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ২(খ) অনুযায়ী 'অসদাচরণ (Misconduct)' এর শামিল। একই বিধিমালার ৪ নং বিধির (৫) নং উপ-বিধির (গ) দফানুসারে দন্ডনীয় অপরাধ ।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘আপনার এহেন কর্মকান্ডের জন্য আপনার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না-তা অত্র পত্র জারির ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে নিম্নস্বাক্ষরকারী বরাবর কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।’
গত ১৭ জানুয়ারি ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো কোনো স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার প্রধান ব্যক্তিদের আজকাল বিএনপির বিভিন্ন প্রোগ্রামে চেয়ার টিকিয়ে রাখতে নির্লজ্জের মতো বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে! এরা জামাতের সুপারিশে নিয়োগ পেয়েছে। ইতর শ্রেণীর এসব লোকদের খুব শীঘ্রই অফিস থেকে বিতাড়িত করা হবে। কোনো অপশক্তি তাদের রক্ষা করতে পারবেনা।’
এ ধরনের ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার কারণ জানতে মুহম্মদ নাজমুল ইসলামের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।