কক্সবাজারে হোটেলে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়

কক্সবাজার
বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় কক্সবাজারে পর্যটন উৎসব  © সংগৃহীত

প্রতিবছর ২৭ সেপ্টেম্বর উদযাপিত হয় বিশ্ব পর্যটন দিবস। পর্যটনের গুরুত্ব এবং এর সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মূল্য সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পালিত হয়ে থাকে দিবসটি। বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে আয়োজন করা হচ্ছে সাত দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভাল। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত কক্সবাজার সাগরপারের লাবণী পয়েন্টে মেলা ও কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে কক্সবাজারের সব হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় রয়েছে ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ মূল্য ছাড়। পর্যটক তথা অতিথিদের দেওয়া হচ্ছে বিশেষ কিছু সুবিধাও।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বিচ কার্নিভাল ও মেলার উদ্ধোধন করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। এর আগে লাবণী পয়েন্ট থেকে সুগন্ধা পয়েন্ট পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থা দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

পর্যটনের নতুন ভাবনা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি (বিএমসি) সাত দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভালের আয়োজন করছে। এ আয়োজনে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ অন্যতম সহযোগী (স্পন্সর) হিসেবে থাকছে।

মেলা আয়োজন প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মো মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আমরা কক্সবাজারকে ব্র্যান্ডিং করতে চাই পর্যটন দিয়ে। কক্সবাজারই হচ্ছে দেশের পর্যটন রাজধানী। বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই এখানেই রয়েছে দুনিয়ার দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত। সেই সঙ্গে প্রতিবছরই যাতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে একই তারিখে এ রকম মেলা বসে এমন তাগিদ নিয়ে এই আয়োজন। ’ তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো পর্যটন মেলা আয়োজনে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ আর্থিক সহায়তা দিয়ে এগিয়ে আসায় তাদের ধন্যবাদ। 

আরও পড়ুন: হিমালয়ের ৪ চূড়া জয় বাংলাদেশি দুই তরুণের

এ প্রসঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক মো. আবু হেনা জানান, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের পক্ষ থেকে কক্সবাজারের পর্যটন মেলা আয়োজনে ১০ লাখ টাকার চেক জেলা প্রশাসকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

হোটেল-মোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ আবুল কাসেম সিকদার বলেন, সপ্তাহব্যাপী আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণে থাকছে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলোতে অতিথি ভাড়ায় ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ ছাড়। এ ছাড়া সব হোটেল-রেস্তোরাঁয় খাবারে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। মেলায় ২০০টি স্টল থাকছে।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, পর্যটন দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে ভ্রমণে আসা পর্যটকদের জন্য বিশেষ ছাড় দিয়েছেন তারা। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি সৈকতের লাবণী পয়েন্টে পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভালের আয়োজন করেছে। সপ্তাহব্যাপী পর্যটন মেলায় রয়েছে নানা আয়োজন। জেলা প্রশাসন শহরের হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস ও রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে বিশেষ ছাড় ঘোষণা দিয়েছে।


সর্বশেষ সংবাদ