মুখস্ত বিদ্যা দিয়ে বুয়েটে চান্স পাওয়া সম্ভব নয়

ভর্তি পরীক্ষা
মূল বইগুলো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালভাবে বুঝে শেষ করতে হবে..  © টিডিসি ফটো

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা সবচাইতে বেশি প্রতিযোগিতাপূর্ণ। প্রাথমিক বাছাইয়ে প্রিলি পরীক্ষা দিতে উত্তীর্ণ প্রায় ১৯,০০০ শিক্ষার্থীর সবাই-ই মেধাবী। তাই মূলত প্রতিযোগিতাটা হবে মেধাবীদের মধ্যে। তাই মেধাবীদের মাঝে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে প্রয়োজন দৃঢ় মনোবল, কঠোর পরিশ্রম এবং পর্যাপ্ত প্রস্তুতি।

এ বছর পরীক্ষা হবে দুটি ধাপে। তাই প্রস্ততিকে দুই ধাপে ভাগ করে নেয়া যেতে পারে:

প্রিলি অংশের জন্য: শেষ মুহূর্তে যা যা পড়েছো তা গুছিয়ে নাও। কোনো টপিকে দূর্বলতা থাকলে যতটুকু সম্ভব ঝালাই করে নাও। যেসব টপিকে ভাল প্রস্তুতি রয়েছে সেগুলো বারবার পড়ো। আর যে বিষয়গুলো পড়বে তা ভালভাবেই পড়বে, বিস্তারিতভাবে। যেহেতু প্রিলিতে মার্কস কম এবং সময়ও কম,তাই বড় অংকগুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভাল।

প্রশ্নব্যাংক: ভর্তি পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের জন্য কোয়েশ্চান ব্যাংক সলভ করার কোনো বিকল্প নেই। বুয়েট প্রশ্নব্যাংকের এমসিকিউ দেখলে বুয়েটে কেমন প্রশ্ন আসে, তা বুঝতে পারবে। আর যে বিষয়গুলো পড়বে তা ভালভাবেই পড়বে, বিস্তারিতভাবে।

লিখিক অংশের জন্য: মূল বইগুলো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালভাবে বুঝে শেষ করতে হবে এবং কোয়েশ্চান ব্যাংক এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যত বেশি প্রশ্ন সমাধান করা যায়, ততই ভাল।

বুয়েটে মূলত ফিজিক্স থেকে কঠিন প্রশ্ন আসে। তাই ফিজিক্স এর প্রতিটি অধ্যায়ের প্রত্যেকটা টপিক ভালভাবে বুঝে পড়তে হবে। মনে রাখতে হবে, মুখস্ত বিদ্যা দিয়ে বুয়েটে চান্স পাওয়া সম্ভব নয়। তোমাদের সবার জন্য শুভ কামনা।

লেখক: শিক্ষার্থী, বস্তু ও ধাতব ইঞ্জিনিয়ারিং, বুয়েট।


মন্তব্য

x