ঢাবি-জাবি-রাবি-চবি কিংবা গুচ্ছ— ইংরেজিতে ভাল নম্বর পাওয়ার কৌশল

ভর্তি পরীক্ষা
নিজেকে যাচাই করার জন্য মডেল টেস্ট সমাধানের কোন বিকল্প নেই  © টিডিসি ফটো

আমাদের সবারই পরীক্ষা নিয়ে একটা ভীতি কাজ করে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষা হলে তো সে ভীতির পারদ আরো বেড়ে যায়। এ থেকে পরিত্রাণ অতি জরুরি। 

প্রথমত, পরীক্ষা নিয়ে আমাদের যেই অযাচিত ভীতি রয়েছে, সেগুলো মাথা থেকে বাদ দিয়ে দিতে হবে। তাহলেই তোমাদের অর্ধেক প্রস্তুতি একরকম শেষ। ভর্তি পরিক্ষায় চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর ইংরেজি। ইংরেজিতে ভালো প্রস্তুতি থাকলে একটা আত্মবিশ্বাস কাজ করে,যেটা বাকি সাবজেক্টগুলোর পড়ার ক্ষেত্রেও বেশ উৎসাহ দেয়।

আরও পড়ুন: জাহাঙ্গীরনগরে চান্স পেতে কৌশলের বিকল্প নেই

ইংরেজিতে ভালো প্রস্তুতির জন্য প্রথমেই তোমাকে অবশ্যই ইন্টারমিডিয়েটের পাঠ্যবইটা খুব ভালো করে পড়তে হবে। পড়ার সময় মুখস্থ করার প্রবণতা মাথায় রাখা যাবে না। আমরা অন্যান্য গল্পের বই যেভাবে পড়ি, ঠিক সেভাবে ইংরেজি পাঠ্যবইটা আনন্দ নিয়ে বারবার পড়ার মাধ্যমে আত্মস্থ করলে অধিক সুফল পাওয়া যাবে। কবিতা, গল্প, বাক্যগঠন নিয়ে এই বইয়ে যেসব 'টাস্ক' দেওয়া আছে সেগুলো লিখে লিখে পড়লে স্থায়ীভাবে মনে থাকবে। এসব থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনাও বেশি।

পাঠ্যবইটিতে প্রতিটি ইউনিটের পরে ইংরেজি গ্রামার নিয়ে অনেকগুলো 'একটিভিটি' দেওয়া আছে। সেগুলো বুঝে বুঝে সমাধান করে নিলে গ্রামারের অংশটাও পড়া হয়ে যাবে; ইনশা-আল্লাহ। আর বাকি  ইংরেজি গ্রামারের জন্য সবাই যেভাবে প্রস্তুতি নেয়, সেভাবে নিলেই যথেষ্ট। 

'সিনোনিম ও এন্টোনিম' আলাদা করে মুখস্থ করলে কখনোই মনে থাকবে না। সেক্ষেত্রে, পাঠ্যবইয়ের মূল শব্দগুলো বারবার করে রিভাইস করলে পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ভোকাবুলারি কমন পরবে,সেটা একরকম নিশ্চিত।

আরও পড়ুন: ঢাবি ভর্তি পরীক্ষা: ইংরেজির জন্য যা পড়বেন, যা বাদ দেবেন

পরিশেষে, নিজেকে যাচাই করার জন্য মডেল টেস্ট সমাধানের কোন বিকল্প নেই। অনেক বেশি মডেল টেস্টের প্রশ্ন সমাধান করলে,পরীক্ষার পরিবেশের সাথে নিজেকে ওতোপ্রোতোভাবে পরিচয় করানো সহজ হয়। প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা তোমার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করবে।সর্বোপরি, সুস্থ্য শরীর নিয়ে ভর্তিযুদ্ধের জন্য পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাও। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় তোমার অপেক্ষায়।

লেখক: শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় & ইংলিশ ইনস্ট্রাক্টর


x

সর্বশেষ সংবাদ