বঙ্গমাতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৫ নারী

বঙ্গমাতা পুরস্কার
বঙ্গমাতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৫ নারী  © সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সালে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব’ জাতীয় পদক পাচ্ছেন ৫ জন নারী। রোববার (৮ আগস্ট) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। আজ শুক্রবার (৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সম্মেলনকক্ষে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন’ ও ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক’ প্রদানের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা বলেন, এবারই প্রথম জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষভাবে পালন করা হবে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান। ঢাকাসহ সারা দেশের বিভাগ, উপজেলা পর্যায়েও একই সময়ে বিভিন্ন আয়োজন করা হবে। এ উপলক্ষ্যে সারাদেশে কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে ৪ হাজার নারীকে ৪ হাজার সেলাই মিশন বিতরণ ও দুস্থ দুই হাজার নারীকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দুই হাজার টাকা করে মোট ৪০ লাখ টাকা প্রদান করা হবে।

২০২১ সালে পদক প্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মমতাজ বেগম (মরণোত্তর), শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ টাঙ্গাইলের জয়াপতি (মরণোত্তর), কৃষি ও পল্লি উন্নয়নে অবদানের জন্য পাবনা জেলার মোছা. নুরুন্নাহার বেগম, রাজনীতিতে কুমিল্লা জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ জোবেদা খাতুন পারুল ও গবেষণা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কৃত হবেন নেত্রকোনা জেলার লেখক ও গবেষক নাদিরা জাহান (সুরমা জাহিদ)।

পদকপ্রাপ্তরা প্রত্যেকেই পাবেন আঠারো ক্যারেটের চল্লিশ গ্রাম স্বর্ণের নির্মিত পদক, পদকের রেপ্লিকা, চার লাখ টাকার চেক ও সম্মাননা পত্র।প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা বলেন, এবারই প্রথম জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষভাবে পালন করা হবে এ অনুষ্ঠান। ঢাকাসহ সারা দেশের বিভাগ, উপজেলা পর্যায়েও একই সময়ে বিভিন্ন আয়োজন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে ৪ হাজার নারীকে ৪ হাজার সেলাই মিশন বিতরণ ও দুস্থ দুই হাজার নারীকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দুই হাজার টাকা করে মোট ৪০ লাখ টাকা প্রদান করা হবে।

২০২১ সালে পদক প্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মমতাজ বেগম (মরণোত্তর), শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ টাঙ্গাইলের জয়াপতি (মরণোত্তর), কৃষি ও পল্লি উন্নয়নে অবদানের জন্য পাবনা জেলার মোছা. নুরুন্নাহার বেগম, রাজনীতিতে কুমিল্লা জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ জোবেদা খাতুন পারুল ও গবেষণা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কৃত হবেন নেত্রকোনা জেলার লেখক ও গবেষক নাদিরা জাহান (সুরমা জাহিদ)।

পদকপ্রাপ্তরা প্রত্যেকেই পাবেন আঠারো ক্যারেটের চল্লিশ গ্রাম স্বর্ণের নির্মিত পদক, পদকের রেপ্লিকা, চার লাখ টাকার চেক ও সম্মাননা পত্র।


মন্তব্য

x