০৯ আগস্ট ২০২১, ০৯:২১

ছাত্রলীগের নম্বরে জানালেই সিলিন্ডার পৌঁছে দেব: জয়

করোনা আক্রান্তদের জন্য ছাত্রলীগের ‘বঙ্গমাতা অক্সিজেন সেবা’র উদ্বোধন  © টিডিসি ফটো

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছেন, কোভিডে আক্রান্ত হয়ে কারও শ্বাসকষ্ট হলে বা অক্সিজেন সংকটে পড়লে আমাদের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করলে আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের বাসায় বা হাসপাতালে সিলিন্ডার পৌঁছে দেব।

রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ‘বঙ্গমাতা অক্সিজেন সেবা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জয় এসব কথা বলেন। এসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যও উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকীতে সারাদেশে বিনামূল্যে এ অক্সিজেন সেবা চালু করে সংগঠনটি।

জয় বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রথম থেকে আমরা যে কার্যক্রমগুলোকে চালাচ্ছি তার একটি অংশ হল বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা। সারাদেশে এই কার্যক্রম চলমান আছে।

তিনি বলেন, সেই কার্যক্রম আরও গতিশীল করার জন্য বিভাগীয় মেডিকেলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মদিনে আমরা তার নামে এ কর্মসূচি চালু করছি। বঙ্গমাতা অক্সিজেন সেবা কার্যক্রম মূলত মেয়েরাই প্রধান্য দিয়ে চালাবে। এছাড়া আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকব।

পড়ুন: ১১ সিলিন্ডারে চলছে ১০ তরুণের ‘প্রজেক্ট শ্বাস’

ছাত্রলীগ নেতারা জানান, দেশের যে কোনো এলাকা থেকে ০১৭১১৯২৮৭৪৯, ০১৭২৭৫১১৫৭৩, ০১৬৭০৭১৬২৯৭, ০১৬৭২১৩৫০৭৬ নম্বরে ফোন করলে রোগীর বাসায় অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়া হবে।

সারাদেশে ছাত্রলীগের বিভিন্ন শাখা ও ইউনিটে চলমান অক্সিজেন সেবার সঙ্গে সমন্বয় করে কেন্দ্রীয়ভাবে আরও ৭০টি নতুন অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে এ কর্মসূচি চালু করেছে ছাত্রলীগ। এর মধ্যে ৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার বাগেরহাট-২ আসনের সাংসদ শেখ তন্ময় উপহার দিয়েছেন বলে ছাত্রলীগ জানিয়েছে।

পড়ুন: কল দিলেই বাড়িতে বিনামূল্যে অক্সিজেন পৌঁছে দেবে পুলিশ

লেখক ভট্টাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুর সকল শক্তি ওবং সাহসের মূল অনুপ্রেরণার জায়গায় ছিলেন বঙ্গমাতা। সকল সফলতার পেছনের ইতিহাসগুলো যেমন সামনে না এসে পেছনে থেকে যায়, ঠিক তেমনি বঙ্গমাতা নিজের জন্য চিন্তা না করে মানুষের জন্য কাজ করেছেন, ভালোবেসেছেন, দলীয় নেতা-কর্মীদের লালন করেছেন। তার রেখে যাওয়া আদর্শের মাধ্যমে আমরা নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী স্বাধীনতার অনুপ্রেরণা পেয়েছি।