১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:৫৭

সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি মেহেদী, সেক্রেটারি নুরুন্নবী

মেহেদী হাসান ও মো. নুরুন্নবী  © সংগৃহীত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ‘সেটআপ’ সম্পন্ন হওয়ার পর তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে গতিশীল করতে বিভিন্ন শাখায় নতুন কমিটি গঠন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সেশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়াস্থ আল আমিন ট্রাস্টের কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে মেহেদী হাসান সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন ও মো. নুরুন্নবী সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হন। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সেটআপ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ও নতুন কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নেতৃত্ব মানে কেবল পদ-পদবি নয়, এটি ত্যাগ, দায়িত্বশীলতা ও নৈতিক দৃঢ়তার এক মহাপরীক্ষা। নতুন নেতৃত্বকে আত্মশুদ্ধি ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য প্রমাণ করতে হবে।

বিদায়ী সভাপতি মুহা. আল মামুন তার বক্তব্যে বিগত দিনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, নেতৃত্ব একটি পবিত্র আমানত। পদ বড় কথা নয়, আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হওয়াই আসল সাফল্য। তিনি নতুন কমিটির প্রতি পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক মো. নোমান হোসেন নয়ন, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মু.মুহতাসিম বিল্লাহ, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুক,শহর জামায়াতের আমীর জাহিদুল ইসলাম বকুল, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের হোসেন, জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারী মাওঃ রুহুল আমিন,শহর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি নাজমুল ইসলাম, শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আবু তালেব, সহকারী সেক্রেটারি মোঃ বদিউজ্জামান, সাবেক শহর সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন, শহর ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মুহা আনিসুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়, যেখানে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।