‘সর্ব মিত্রের’ প্রতি ঘৃণাটা ইন্সটিংটিভলি ‘চাকমার’ উপর যেয়ে পড়ছে: মেঘমল্লার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের’ (এনপিএ) কাউন্সিল সদস্য ও সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মেঘমল্লার বসু।
তিনি বলেছেন, পুঁজি ও রাষ্ট্রীয় মিডিয়া ব্যবহার করেও প্লেইন ল্যান্ডের গরিব বাঙালিদের এতটা চাকমা-বিদ্বেষী বানানো যায় নাই যেটা এক সর্ব মিত্রকে দিয়ে করা গেছে। ‘সর্ব মিত্রের’ প্রতি ঘৃণাটা ইন্সটিংটিভলি ‘চাকমার’ উপর যেয়ে পড়ছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে মেঘমল্লার বসু বলেন, এস. এম. ফরহাদ, আবু সাদিক কায়েমসহ পিসিসিপির অতীত-বর্তমান সকল নেতার উচিত সর্বমিত্র চাকমার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকা। এত পুঁজি ও রাষ্ট্রীয় মিডিয়া ব্যবহার করেও প্লেইন ল্যান্ডের গরিব বাঙালিদের এতটা চাকমা-বিদ্বেষী বানানো যায় নাই যেটা এক সর্বমিত্রকে দিয়ে করা গেছে।
তিনি বলেন, উদ্যানের গেটের দোকানি থেকে শরফুদ্দিন চিশতির মেলায় আসা পাগল, বাদামওয়ালা থেকে টোকাই, বৃদ্ধ থেকে শিশু, যারা বাঙালি-আদিবাসী প্রশ্নে নৈর্ব্যক্তিক ছিলেন, ক্ষমতায়িত আদিবাসী বললে তাদের চোখে এখন থেকে ভাসবে সর্বমিত্রের চেহারা। সেটেলার রাজনীতির যে তাতে কী বীভৎস লাভ হল সেটা পরিমাপ করে বলা কঠিন। আমি সরেজমিনে দেখেছি ‘সর্বমিত্রের’ প্রতি ঘৃণাটা ইন্সটিংটিভলি ‘চাকমার’ উপর যেয়ে পড়ছে।
মেঘমল্লার আরও বলেন, বাঙালি সেটেলারদের উচিত এই মহানুভবকে সামনের দিনে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনীতিতে পুশ করা। ওদের কাজে দিবে।