মেসির জন্মদিনে জ্বলে উঠলো আর্জেন্টিনা
হালের জনপ্রিয় ফুটবলার লিওনেল মেসি। অনেকের বিবেচনায় স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়। ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন আর্জেন্টিনার রোসারিও শহরে মা সেলিয়া মারিয়া ও বাবা জর্জ হোরাশিও মেসির ঘরে জন্ম নেন লিও মেসি। শুভ জন্মদিন মেসি।
কোপা আমেরিকায় বাঁচা-মারার ম্যাচে কাতারকে ২-০ গোলে হারিয়ে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে মেসির আর্জেন্টিনা। দলের এই প্রাণ ভৌমরার জন্মদিনে মাতিয়ে রাখতে এদিন শুরু থেকে আক্রামণাত্বক ছিল দিবালা, আর্গুরারা। দুই মিনিটের মাথাই গোল পেয়ে যায় তাঁরা। জাতীয় দলের খেলোয়াড় হিসেবে যতটা না খ্যাতি, তার চেয়ে বেশী জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার ফরওয়ার্ড হিসেবে।
এ পর্যন্ত পাঁচবার ফিফা ব্যালন ডি’অর এবং তিনবার ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট জেতা একমাত্র খেলোয়াড় মেসি। শৈশবে গ্রোথ হরমোন ডেফিশিয়েন্সিতে ভোগেন, ১৩ বছর বয়সে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা তার চিকিৎসার খরচ বহন করার শর্তে মেসিকে স্পেনে নিয়ে যায়। জুনিয়র দলের হয়ে একের পর এক চমকপ্রদ পারফর্মেন্স উপহার দিয়ে মাত্র ১৭ বছর বয়সে মূল দলের হয়ে প্রথমবারের মত মাঠে নামেন। মেসি আর্জেন্টিনার ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
বয়সভিত্তিক পর্যায়ে মেসি আর্জেন্টিনাকে ২০০৫ ফিফা ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতাতে সাহায্য করেন যে টুর্নামেন্টে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জয় করেন। এছাড়া তিনি ২০০৮ গ্রীষ্মকালীন অলম্পিকে স্বর্ণপদক জয় করেন। ২০০৫ সালের অগাস্টে তার আর্জেন্টিনা জাতীয় দল এ তার অভিষেক হয়। ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ এ গোল করার মধ্য দিয়ে তিনি সর্বকনিষ্ঠ আর্জেন্টাইন হিসেবে বিশ্বকাপে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
২০০৭ কোপা আমেরিকায় তিনি টুর্নামেন্ট সেরা যুব খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন যে টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা রানার-আপ হয়। ২০১১ সালের অগাস্টে তিনি আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পান। অধিনায়ক হিসেবে তিনি আর্জেন্টিনাকে টানা তিনটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে তোলেন: ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ, ২০১৫ কোপা আমেরিকা এবং ২০১৬ কোপা আমেরিকা। তিনি ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে ১-০ গোলে স্বপ্নভঙ্গ হয় এই গ্রেটের।