ড্রেসিংরুমে সুজনের ধূমপানের ছবি ভাইরাল

খালেদ মাহমুদ সুজন
খালেদ মাহমুদ সুজন  © সংগৃহীত

বিপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে ফরচুন বরিশালকে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। টানা হারের পর জয়ের রাতে খালেদ মাহমুদ সুজন সৃষ্টি করলেন নতুন বিতর্কের। বরিশালের দেয়া ১৭০ রানের টার্গেটে শেষ ৪ বলে ৪ রান প্রয়োজন খুলনার। তখনই টিভি ক্যামেরায় দেখা যায়, শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে খুলনা দলের সামনের ড্রেসিংরুমে ধূমপান করছেন দলের প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। দ্রুতই ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে দৃশ্যটি।

শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সরাসরি ম্যাচ সম্প্রচারকারী ক্যামেরার চোখে ধরা পড়ে সুজনের ধূমপানের দৃশ্য। এরপর তার স্ক্রিনশট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে থাকেন নেটিজেনরা। যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং শুরু হয় নিন্দার ঝড়।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান টিম ডিরেক্টর এবং খুলনার কোচের এমন কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল সমালোচনা হচ্ছে। সুজন। ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে তার ধূমপানের মুহূর্তের ছবিও। 

ড্রেসিংরুমে ম্যাচ চলার সময় খালেদ মাহমুদ সুজনের এই ধূমপানের দৃশ্য ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে। ছবি: সংগৃহীত

সাইফুর রহমান নামে একজন লিখেন, অন্য কোন দেশে হলে সারা জীবনের নিষিদ্ধ হতো এই দেশে কোন কিছুই হয় নি। এর আগেও সে ক্যাসিনো তে গিয়েছিল পরে খেলোয়াড় কে বলির পাঠা করা হয়েছে। আরাফাত হোসেন নামে একজন বলেন, অসভ্য লোকটাকে ক্রিকেট থেকে সরানো হোক। অনেকেই আবার লিখেন, এমন কাজ করে অনিবার্য শাস্তির অপেক্ষায় সুজন। তার অর্থদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, ক্রিকেটীয় আইনে নিষিদ্ধ এমন কাজ করায় মৌখিক সতর্ক করা বা জরিমানার মুখে পড়তে পারেন খালেদ মাহমুদ সুজন। বরিশাল-খুলনা ম্যাচের রেফারির দায়িত্বে ছিলেন দেবব্রত পাল। গণমাধ্যমের প্রশ্নে সুজনের ধূমপান প্রসঙ্গে স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি সাবেক এই ক্রিকেটার। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু ফুটেজ দেখেছি। এ নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’

আরও পড়ুন: কুমিল্লার হয়ে বিপিএল মাতাতে আসলেন মঈন আলি

এর আগে, বিপিএলের গত আসরে মাঠে ই-সিগারেট টেনে শাস্তির মুখে পড়েছিলেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটার মোহাম্মদ শেহজাদ।

তবে সূত্রে জানা গেছে, এ ক্ষেত্রে হয় মৌখিক সতর্ক, না হয় ম্যাচ ফি কর্তনের সম্ভাবনাই বেশি। সূত্র আরও জানায়, সাধারণত বয়সে তরুণ ও অনভিজ্ঞদের কেউ এমন কাজ করলে তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে দেয়া হয়। কিন্তু খালেদ মাহমুদ সুজন তো অনেক অভিজ্ঞ। জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও অধিনায়ক ছিলেন। জাতীয় দলের ম্যানেজার, সহকারী কোচের ভূমিকায়ও ছিলেন। টিম ডিরেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ পদেও আসীন। আর বিপিএলের শুরু থেকেই তিনি কোচ। তাই সুজনের অর্থদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ম্যাচ ফির ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কাটা যেতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।


সর্বশেষ সংবাদ