আরএমজি ইন্ডাস্ট্রি ও নারী কর্মীদের ৩০ হাজার ডলার অনুদান পাওয়ার সুযোগ

আরএমজি ইন্ডাস্ট্রি ও নারী কর্মীদের ৩০ হাজার ডলার অনুদান পাওয়ার সুযোগ
আরএমজি গ্লোবাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ  © সংগৃহীত

তৈরি পোশাক বা রেডিমেইড গার্মেন্টস (আরএমজি) ইন্ডাস্ট্রি ও এর নারী কর্মীদের জন্য “গ্লোবাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ” ঘোষণা করেছে ব্র্যাক সোশ্যাল ইনোভেশন ল্যাব (এসআইএল), এইচএন্ডএম ফাউন্ডেশন (এইচএন্ডএমএফ) এবং এশিয়া ফাউন্ডেশন। ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত এ প্রতিযোগিতার জন্য আবেদন করা যাবে। শুধুমাত্র বাংলাদেশীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

কালেক্টিভ ইমপ্যাক্ট (সিআই) ইনিশিয়েটিভের অধীনে এ প্রতিযোগীতার লক্ষ্য হল নারী উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, লিঙ্গ সমতা প্রচার করা এবং রেডিমেড গার্মেন্টস (আরএমজি) খাতকে আরও সক্রিয় করা। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ৬ বিজয়ী দলকে ৩০ হাজার ডলার করে অনুদান দেয়া হবে।

বাংলাদেশ একটি রপ্তানিমুখী দেশ। রপ্তানির প্রায় ৮৩ শতাংশ আরএমজি সেক্টর এর। বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ এ সেক্টরে কাজ করে যার ৫৯ ভাগ নারী। সেক্টরটি উন্নতমানের সরঞ্জাম ব্যবহার না করায় এটি বিশ্ববাজারের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। যে খাত এতদিন ধরে দেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে সৃজনশীল উদ্ভাবন না হলে তা ধীরে ধীরে কমে যাবে। নারী আরএমজি কর্মীদের চাকরি রক্ষা করতে এবং আরএমজি সেক্টরের প্রতিযোগিতার উন্নতির জন্য ও সৃজনশীল ব্যবসায়িক উদ্ভাবনের জন্যই এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

সুযোগ-সুবিধাসমূহ:

* প্রতি টিমকে ৩০ হাজার ডলার করে অনুদান দেয়া হবে।
* মোট ৬ টিমকে পুরস্কৃত করা হবে।
* আরএমজি সেক্টরের মধ্যে অংশীদারিত্বের সুযোগ।
* বিনিয়োগকারীদের সাথে কাজ করার সুযোগ।
* পাইলট রেডিনেস বুটক্যাম্প এবং মেন্টরশিপ।
* বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে আরএমজি শিল্প বিষয়ক পরামর্শ।
* কম খরচে প্রোটোটাইপিং এর সুযোগ।

আবেদনের যোগ্যতা:

* ২ থেকে ৩ সদস্যের গ্রুপ।
* বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবি, উদ্যোক্তা, অ্যাকাডেমিশিয়ান এবং টেক প্রফেশনালস যে কেউ আইডিয়া দিয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
* যেকোন বিদ্যমান স্টার্টআপ/সামাজিক উদ্যোগ।
* বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া:

অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে ক্লিক করুন। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে


x