করোনায় ৫ শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে হারিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

করোনায় ৫ শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে হারিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
করোনায় ৫ শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে হারিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়  © টিডিসি ফটো

গোটা পৃথিবীর মানুষের উপর বিস্তার করেছে করোনার ভয়াল থাবা। করোনার থাবায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিবারের অনেকেরই নিভে গেছে তাজা প্রাণ। বিশ্ববিদ্যালয় যাদের হারিয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সর্বশেষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫ জুলাই (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসের চালক গোলাম সরওয়ারের মৃত্যু হয়। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

চলতি বছরের ২৯ জুন (মঙ্গলবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা জামিনুর রহমান দুদুর মৃত্যু হয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলের সহকারী রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন।

শিক্ষকদের মধ্যে চলতি বছরের গত ৫ মে (বুধবার) দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন। অধ্যাপক মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজের দ্বিতীয় ব্যাচের কৃতি ছাত্র ছিলেন। এছাড়া তিনি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মূল্যবান বইয়ের লেখকসহ বিদগ্ধ একজন গবেষক ছিলেন।

পড়ুন: করোনায় ৯ শিক্ষককে হারিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এর আগে, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) করোনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ও বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমানের মৃত্যু হয়। ওইদিন ভোরে রাজধানীর কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরের ০৯ জুুুলাই (শুক্রবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শিব্বির আহমেদ মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্স্টার্সের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আলামগীর হোসেন ভূইয়া দ্যা ডইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবী এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও এর ব্যতিক্রম নয়। করোনাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা ড্রইভাসহ পাঁচজনকে আমরা হারিয়েছি। যার ক্ষতি অপূরনীয়। তাদের চলে যাওয়া আমাদেরকে ব্যথিত করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অনেকেই হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের জন্য প্রার্থনা থাকবে; যাতে করে তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে করোনা মুক্ত এক সোনালী সূর্য উদিত হোক। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।


সর্বশেষ সংবাদ