বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শন ছিল ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়া

ওয়েবিনার
জুমে আয়োজিত ঢাকা কলেজের বিশেষ ওয়েবিনারে  © টিডিসি ফটো

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাজ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হতো। তার প্রথম অর্থনৈতিক দর্শন ছিল ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়া। শনিবার (১৯ জুন) রাতে ঢাকা কলেজ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম জুমে আয়োজিত বিশেষ ওয়েবিনারে যোগ দিয়ে বক্তারা এসব কথা বলেন।

এই ওয়েবিনারের আলোচ্য বিষয় ছিল ‘বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শন এবং মুজিববর্ষে বাংলাদেশের অর্থনীতি’। ওয়েবিনারে বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, ২০৪১ সালে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হতে হলে এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও ওয়েবিনারে ২০৪১ সালে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে রফতানি চালিত উন্নয়ন কৌশলের ওপর গুরুত্বারোপ, কৃষিতে গণমুখীনীতি প্রণয়ন, শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য হ্রাস, ঋণখেলাপি সংস্থার উন্নয়ন, দুর্নীতি মোকাবিলা, সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী উন্নতকরণ, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধি, রাজস্ব আহরণের ব্যবস্থা গতিশীল করাসহ বেশকিছু সুপারিশও তুলে ধরা হয়। এতে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বর্তমান বাংলাদেশ আর সাহায্য বা ঋণনির্ভর দেশ নয়। শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে ঋণদাতা দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিগত কয়েক দশকের তুলনায় বর্তমানে দেশ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষিসহ সকল খাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে।

ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক পারভীন সুলতানা হায়দারের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার, সবুজবাগ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শামিম আরা বেগম, ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ টি এম মইনুল হোসেন, ঢাকা কলেজের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ শিক্ষার্থীরা যুক্ত ছিলেন।


মন্তব্য