ছাত্রী উত্ত্যক্তকারীকে জামিন, প্রতিবাদে আল্টিমেটাম
গত রবিবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের প্রবীর ঘোষকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে সাজা পাওয়ার ৩ দিনের মাথায় জামিনে বের হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত ছাত্রের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার ওই শিক্ষার্থী সাংবাদিকতা বিভাগে পরীক্ষা দিতে আসলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার হলের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করে এবং তার ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে প্রশাসনকে ২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে তারা।
এসময় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ওবায়েদ ইবনে শাহাদত বলেন, প্রথম বর্ষ থেকেই সে ওই মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। এমনকি বাসা পর্যন্ত যেতেও সে দ্বিধাবোধ করে নি। আমরা অনেকবার তাকে বুঝিয়েছি, কিন্তু সে আমাদের কথা শোনেনি। শুধু একজন না, অনেক মেয়েকে সে উত্ত্যক্ত করে আসছে। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হোক। পাশাপাশি তার স্নাতকের সার্টিফিকেটও বাতিল করতে হোক।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হলে আমরা আরো কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।
একই বিভাগের শিক্ষার্থী মুনেম শাহরিয়ার বলেন, সহকারী প্রক্টর আহসানুল কবির স্যার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আমরা ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রমাণ সহ আরো একটা অভিযোগ পত্র প্রশাসনের কাছে জমা দিবো। দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
প্রক্টর এস এম মনিরুল হাসান বলেন, সে যেহেতু আগেই সাজাপ্রাপ্ত, তাকে শাস্তি দিবে কোনো বাঁধা নেই, তার শাস্তি হবে।