০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:১২

পে-স্কেলের দাবিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের কর্মবিরতি

পে-স্কেলের দাবিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের কর্মবিরতি  © টিডিসি ফটো

সরকারী কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি ও বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতি। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কর্মবিরতির অংশ হিসেবে দুপুর ১ টা পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয় কর্মচারীরা।

এসময় তারা ‘দফা এক দাবি এক, পে-স্কেল পে-স্কেল’, ‘লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’, ‘হয় পে-স্কেল দে, নইলে মুখে বিষ দে’, ‘লড়াই করে বাঁচতে হবে, এই লড়াইয়ে জিততে হবে’, ‘একশন একশন, ডাইরেক একশন’ সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেয়।

কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম রানা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে বলেন, প্রথমে আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে। কিন্তু আবার বলা হলো সরকার শুধু কাঠামো দিয়ে যাবে। জ্বালানী উপদেষ্টাও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছে। যা আমাদের জন্য হতাশজনক। আমরা দৃঢ়কণ্ঠে বলতে চাই ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। নইলে কঠোর কর্মসূচী হিসেবে লংমার্চ টু যমুনা পালন করা হবে। এসময় ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের দুঃখ দুর্দশার কথা তিনি তুলে ধরেন এবং কেন নবম পে-স্কেল জরুরী তা বর্ণনা করেন। 

কর্মচারী সমিতির বর্তমান সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় কর্মচারীরা চরম আর্থিক ও মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে পুরোনো বেতন কাঠামো দিয়ে জীবনযাপন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা কোনো অযৌক্তিক দাবি করছি না, শুধু ন্যায্য অধিকার চাই। দ্রুত পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে কর্মচারীদের কর্মস্পৃহা ও সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের জোর দাবি, বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।