২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪৪

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ও সিনোড ইলেকট্রিক কোম্পানির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ও সিনোড ইলেকট্রিকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর  © টিডিসি ফটো

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগ এবং বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সিনোড ইলেকট্রিক কোম্পানি–এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত ‘MOU Signing and Appointment Letter Giving Ceremony’ অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তির আওতায়, সিনোড ইলেকট্রিক কোম্পানি বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে, যা কোম্পানির ভেতরেই আগামী পাঁচ বছরের জন্য বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিনিয়োগের বিপরীতে কোম্পানিটি প্রতি বছর বিভাগকে ২০% হারে অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা মুনাফা প্রদান করবে। মেয়াদ শেষে মূল অর্থ বিভাগকে ফেরত দেওয়া হবে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে দুইজন শিক্ষার্থীকে বিভাগের খণ্ডকালীন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। একজনকে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং অন্যজনকে সেমিনার লাইব্রেরিয়ান হিসেবে ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উভয়েই প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। তাদের বেতন এই বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফা এবং বিভাগের নিজস্ব এফডিআর ফান্ড থেকে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: উদ্বোধনেই শেষ গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি শনাক্তে ঢাবির সফটওয়্যার

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শাখাওয়াত হোসেন সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনোড ইলেকট্রিক কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) মো. আবদুর রহমান।

সিইও আবদুর রহমান বলেন, ‘আগামীর শিল্পবিপ্লব ৪.০ বাস্তবায়নে আমাদের শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানে পারদর্শী হতে হবে। শিল্প ও শিক্ষার মধ্যে যদি বাস্তব সংযোগ না থাকে, তবে তা ভবিষ্যৎ উন্নয়নে কার্যকর হবে না।’

স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান সাদিক হাসান শুভ বলেন, ‘এই এমওইউ’র মাধ্যমে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কার্যকর একটি যোগসূত্র গড়ে উঠলো। আমরা প্রথমবারের মতো বিভাগের শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন চাকরি দিয়েছি। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে। এটি একটি গ্রাউন্ড ব্রেকিং উদ্যোগ— যা ভবিষ্যতে অন্যান্য বিভাগগুলোকেও অনুপ্রাণিত করবে।’