২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৫৫

শেষ হলো চবি আবৃত্তি মঞ্চের ৩ মাসব্যাপী কর্মশালা

আবৃত্তি অনুষ্ঠানে সংগঠনটির উপস্থাপনা।  © এ এইচ আজহার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কেন্দ্রীয় আবৃত্তি সংগঠন ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চ’। ‘শাশ্বত সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গত ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ৩ মাসব্যাপী কর্মশালা শেষ হয়েছে। প্রমিত উচ্চারণ, উপস্থাপনা ও আবৃত্তি কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে রবিবার দুপুর তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু ভবনের সম্মেলন কক্ষে বৃন্দ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শেষ হলো কর্মশালার কার্যক্রম।

এদিন প্রশিক্ষণার্থীদের বৃন্দ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ৫ টি গ্রুপ। এবং প্রতিটি গ্রুপের নাম ভাষা শহীদদের নামানুসারেই নামকরণ করা হয়। সেই হিসেবে পাঁচটি গ্রুপের নাম ছিলো: সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার এবং শফিউল গ্রুপ। এর মধ্যে রফিক গ্রুপ বৃন্দ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে।

এর আগে কর্মশালায় উচ্চারণ সুত্র, উচ্চারণে আঞ্চলিকতার প্রভাব ও তার প্রতিকার, মঞ্চ-বেতার এবং টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনার কলাকৌশল ও মাইক্রোফোনের ব্যবহার, ছন্দ এবং আবৃত্তি নির্মাণের কলাকৌশলসহ আবৃত্তির বিভিন্ন বিষয়ে দেশের স্বনামধন্য আবৃত্তি শিল্পী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।

তিন মাসব্যাপী এ কর্মশালার সার্বিক বিষয়ে আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ আরিফ জানান, গত উনিশ বছরে আবৃত্তি মঞ্চের এই কর্মশালাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের অংশ হয়ে গেছে। রমজানের পূর্বেই চূড়ান্ত পরীক্ষার মাধ্যমে বিজয়ীদের সনাক্ত করা করা হবে। ঈদের পর জমকালো সমাবর্তনের মাধ্যমে বিজয়ীদের সনদপত্র প্রদান করা হবে।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চ ২০০০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছর প্রমিত উচ্চারণ, উপস্থাপনা ও আবৃত্তির উপর কর্মশালা পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি। এবারের দ্বাবিংশ আবর্তনেও ১৫০ জন নিবন্ধিত প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন।