০৭ এপ্রিল ২০১৯, ১২:০০

আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন ববি শিক্ষার্থীরা

  © টিডিসি ফটো

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) চলমান ছাত্র আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হকের অপসারণ চেয়ে এ আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। উপাচার্যের অপসারণের আশ্বাস দেওয়া হলেও তা লিখিতভাবে না জানানো পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে তারা জানিয়েছেন।

শনিবার বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের সভাপতিত্বে জেলা সার্কিট হাউজে এক সমঝোতা বৈঠকে বসেন শিক্ষার্থীরা। এতে বরিশালের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধী সমাজ, শিক্ষাবিদ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাানের প্রতিনিধি ও ছাত্র প্রতিনিধি অংশ নেয়।

এতে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল জাহিদ ফারুক শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন, ভিসিকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে পাঠানো হবে। তিনি আর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ফিরে আসবেন না।

কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের দাবীর প্রতি অনড় রয়েছেন। উপাচার্যের লিখিত পদত্যাগ বা বাধ্যতামুকল ছুটি লিখিত না পেলে আন্দোলন থেকে সরে যাবেন না বলে ঘোষনা দেন।

এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ড. হাসিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে শনিবার সন্ধ্যা থেকে হল, ডাইনিং এবং আগামীকাল থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার কথা বললে শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করে। সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের নিচে অবস্থান নিয়ে তারা এ আন্দোলন করছেন।

একাডেমিক প্রশাসনিক ভবনের ফটকগুলোতে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নিয়েছেন তারা। উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। গত ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে উপাচার্যের চা চক্র ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালনকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে বিইউডিএস এর এক অনুষ্ঠানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ বললে আন্দোলন বেগবান হয়।

প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে দেয়। এর পরিবর্তে উপাচার্য দুইবার বিবৃতি প্রদান করে দু:খ প্রকাশ করলেও শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন।