হাবিপ্রবিতে ‘ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্ন’র দ্বিতীয় প্রহরের পর্দা উন্মোচন
‘তোমার সুপ্ত প্রতিভাকে সাজাবো আমরা’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৫ সালের ন্যায় এবারও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্ন’ (দ্বিতীয় প্রহর) নামে এক শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি’র নিচ তলায় আয়োজিত ‘ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্ন’র দ্বিতীয় প্রহরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেন ফিতা কেটে উক্ত শিল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক ও অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ রাজিব হাসান।
উদ্বোধনী শেষে ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্ন আয়োজিত বিভিন্ন শিল্প প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন তারা। প্রদর্শনীতে ফটোগ্রাফি, পেইন্টিং, হ্যান্ডিক্রাফট, ফটোশপ ডিজাইনের বিভিন্ন চিত্র প্রদর্শিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের এসব ক্রিয়েটিভ কাজ দেখে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধান অতিথি প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেন।
বিশেষ অতিথি সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ রাজিব হাসান বলেন, অনেক সুন্দর একটা উদ্যোগ। দেখে অনেক ভালো লাগছে। যারা কষ্ট করে এত সুন্দর করে এ ইভেন্টের আয়োজন করেছে তাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। ভিসি স্যারকে বিষয়টা নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবেন বলেও তিনি জানান।
দুইদিন ব্যাপী এই শিল্প প্রদর্শনীর আজ প্রথম দিন। উদ্বোধনের পর থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় জমছে। ক্লাস পরীক্ষার ফাঁকে ফাঁকে প্রদর্শনীতে আসতে ভুল করেননি শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থীরা। সময় পেলেই একবার হলেও ঘুরে আসছেন এই প্রদর্শনী থেকে। প্রদর্শনীতে ঘুরতে আসা আমিনুল ইসলাম নামের এক দর্শনার্থী বলেন, মানুষের মাঝে যে এতো ট্যালেন্টসি থাকে তা এই প্রদর্শনীতে না আসলে বুঝতামই না। আফরোজা তাসনিম নামের অন্য এক দর্শনার্থী বলেন, এতো সুন্দর একটা আয়োজন মুখে বর্ণনা করার ভাষা নেই। আমি শুধু বলবো, জাস্ট ওয়াও।
ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্নের আয়োজক কমিটির প্রধান আহবায়ক রাবেয়া খাতুন রুবী জানান, প্রত্যেকের মাঝে প্রতিভা আছে কিছু করার মতো। আমরা তাদের সেই সুপ্ত প্রতিভাকে জাগ্রত করতে এই আয়োজন করেছি। আর্কিটেকচারের শিক্ষার্থীরা যেমন বিভিন্ন স্থাপত্য শিল্প তৈরির মাধ্যমে নিজের প্রতিভার প্রতিফলন ঘটান। আমরা যারা অন্যান্য ডিপার্টমেন্টে এ পড়ি তাদের মাঝেও যেন সেই প্রতিভার প্রতিফলন ঘটে সেই উৎসাহ সৃষ্টির চেষ্টা করছি। এখান থেকে সেরা প্রতিভাবানকে খুঁজে বের করে আনাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, আমি স্যারদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য। এবং আয়োজক কমিটির অন্য সদস্যদের সকলকেই ধন্যবাদ, যারা আমাকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করেছে। বিশেষ করে যাদের কথা না বললেই নয় তারা হলেন, রাহিদ, মারুফ, ফাহিম, ফয়সাল, সাবরিন, মারিয়াতুল জান্নাত, অমিতাভ, ফয়সাল, সামিউল ও টুম্পা।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনী চলবে এবং প্রদর্শনী শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।