১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:২২

৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

৪০তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে বিজ্ঞপ্তিটি পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, কোটা বিষয়ে সরকারের সবশেষ গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার নিয়োগ হবে।  যার আবেদন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে। চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ।

সূত্র জানায়, ৪০তম বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, করে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৮০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

জানা যায়, ৪০তম বিসিএসেও লিখিত পরীক্ষার প্রতিটি খাতা দুজন পরীক্ষক মূল্যায়ন করবেন। তাদের নম্বরের ব্যবধান ২০ শতাংশের বেশি হলে তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে খাতা পাঠানো হবে। এর ফলে পরীক্ষার্থীদের মেধা যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে বলে মনে করছে পিএসসি। এই বিসিএস থেকে বাংলাদেশ বিষয়াবলির ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় আলাদা করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে ৫০ নম্বরের প্রশ্ন রাখা হবে। ইংরেজি ভাষাতেও এই বিসিএস দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

সূত্রের দাবি, এই বিসিএসে প্রার্থীদের ২০০ নম্বরের একটি লিখিত এমসিকিউ প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। পরীক্ষার সময় থাকবে ২ ঘণ্টা। বাংলাভাষা ও সাহিত্যে ৩৫ নম্বর, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে ৩৫ বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০, ভূগোল ( বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ১০, সাধারণ বিজ্ঞান ১৫, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ১৫, গাণিতিক যুক্তি ১৫, মানসিক দক্ষতায় ১৫, নৈতিকতা মূল্যবোধ ও সুশাসন বিষয়ে ১০ নম্বরের  প্রশ্ন রাখা হবে।

এছাড়াও এই বিসিএসে প্রার্থীদের ১১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডারদের জন্য বাংলায় ২০০, ইংরেজিতে ২০০, বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২০০, আর্ন্তজাতিক বিষয়াবলিতে ১০০, গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতায় ১০০, সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ১০০  নম্বর থাকবে। মৌখিক পরীক্ষায় ২০০ নম্বর থাকবে।

এদিকে ৪০ তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তির আগেই ছাত্র সমাজের প্রত্যাশিত কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান থাকলেও তা হলো না। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদে’র নেতারা ওই আহ্বান জানিয়েছেন। এ সময় কালক্ষেপন না করে পাঁচ দফার আলোকে কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির দাবিও তোলেন তারা।

শিক্ষার্থীদের দাবি সমূহের মধ্যে রয়েছে- ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও হয়রানি মূলক সকল মামলা প্রত্যাহার করা, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা এবং পাঁচ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন দেয়া।

৪০ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে