মুজিববর্ষেই এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে স্মারকলিপি

মুজিববর্ষেই এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে স্মারকলিপি
লোগো  © সংগৃহীত

এমপিওভুক্ত সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলতি মুজিববর্ষেই জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাদর্শন বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরাম। আজ বুধবার (০৪ আগস্ট) এ দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাশিস।

স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলা হয়, আপনার হাত ধরেই দেশের প্রাথমিক শিক্ষা এখন পরিপূর্ণভাবে জাতীয়করণ হয়েছে, যা ১৯৭৩ সালে সর্বপ্রথম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুরু করেছিলেন। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর আপনি প্রথম এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ২০১৮ সালে ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দিয়েছেন।

‘‘১০০ টাকার বাড়ি ভাড়া ১০০০ টাকায় ও ১৫০ টাকার চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকায় উন্নীত করেছেন। বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থায় এসেছে স্বচ্ছতা। এ ছাড়া শিক্ষকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোয় এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।’’

বাশিস জানায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলে শতভাগ বেতন পেলেও দীর্ঘ ১৭ বছর পরও ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতার কোনো পরিবর্তন নেই। ১০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া এবং ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা বর্তমান সময়ে খুবই অপ্রতুল।

ফোরামে পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুটি উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার কথা থাকলেও মাত্র একটি উচ্চতর গ্রেড নিয়ে শিক্ষকদের সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রথা চালু হয়নি ২৯ বছরেও। অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করা হয়নি। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোর জাতীয়করণ ঘোষণাও জরুরি।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বেতন বৈষম্য আর শিক্ষক সমাজকে ক্ষুধার্ত রেখে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ঘটানো সম্ভব নয়। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফান্ডের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ ঘোষণা করা হলে সরকারের তেমন অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন হবে না।


মন্তব্য

x