আইআইইউসির ১০ ছাত্রলীগ কর্মীকে আসামী করে মামলা
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে (আইআইইউসি) এক ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদি হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২, চট্টগ্রাম ফৌজদারী অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি এ মামলা করেন। মামলার আসামী ১০ জন। তারা সবাই ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের ‘কথিত’ নেতা দাবি করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কুর’আনিক সাইন্সেস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২য় সেমিস্টারের ওই ছাত্র (মাসুদুর রহমান আদনান) দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, মামলাটি পিবিআই নিয়েছেন। গণমাধ্যমে আমাকে নির্যাতনের ছবি ছেপেছে। আশা করি পিবিআইয়ের ওপর যদি কোন ধরণের চাপ না আসে তাহলে সঠিক তদন্ত হবে এবং আসামীদের উপযুক্ত শাস্তি হবে। আর আমি ন্যায় বিচার পাবো।
মামলার এজহার থেকে জানা যায়, আইন বিভাগের ছাত্র (আইডি নং- LM- 183122) উচো অং মারমাকে ১নং আসামী করে মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে ওই মামলা দায়ের করা হয়। এজহারে অভিযুক্ত বাকি আসামিরা হলো ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগের ছাত্র (আইডি-LM-183057) মশিউর রহমান মৃদুল, একই বিভাগের অনিক ইসলাম অনিক (আইডি-ET-183080), ওমর ফারুক তুহিন (আইডি-ET-183072), আব্দুল্লাহ আল নাঈম রবিন (ET-183028), আইন বিভাগের হাসান হাবিব মুরাদ (LM-183123), এমবিএ এর ছাত্র শফিউল ইসলাম, ইকোনমিক্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের (আইডি-EB-141008) রবিউল হোছাইন রনি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগের ছাত্র আব্দুল্লাহ আলম তাশরীফ (আইডি-ET-163033) এবং কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র মো. আফজাজুল হক অমি (আইডি-C163024)।
সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উসমান (রা.) হলের আদনানকে শিবির সন্দেহে মারধর করেন ছাত্রলীগ পরিচয়ধারী কয়েক ছাত্র। পরে শিক্ষকেরা এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনার জেরে ২৯ জানুয়ারি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি অবস্থান করে। পরে অদ্ভুদ পরিস্থিতিতে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ, ছাত্রদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।